1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সৌদি আরবে হজযাত্রীদের আটকে থাকা ১০ কোটি টাকা ফেরত চার মাসে রপ্তানি আয় ১৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ পোশাক খাতে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল বিকেএমইএ মজুরি আন্দোলনে সংঘর্ষ: ২৮ জনকে আটক করে পুলিশ বলছে, ‘আওয়ামী লীগ’ কঙ্গো শান্তিরক্ষা মিশনে যাচ্ছে বিমান বাহিনীর নতুন কন্টিনজেন্ট নির্মল বায়ু-জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ জরুরি : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী এক নম্বরে উঠে বাভুমার লক্ষ্য বাংলাদেশ কচাকাটা কলেজে নিয়োগ বাণিজ্য, অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ আর্নিংস কল আয়োজন করেছে সিটি ব্যাংক তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থি ও সর্বহারার আত্মসমর্পণ

অনিয়মের অভিযোগে ‘বিনিময়’ প্ল্যাটফর্ম বাতিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১৬ Time View
নিরাপত্তা ঘাটতি ও চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম ‘বিনিময়’-কে বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, প্ল্যাটফর্মটি চালু করতে তাদের উপর চাপে ফেলা হয়েছিল। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্থ না মেলায় ও একাধিক অনিয়মের কারণে শেষ পর্যন্ত এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

২০২২ সালের নভেম্বরে ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের (পিএসপি) মধ্যে অর্থ লেনদেন সহজ করতে ‘বিনিময়’ চালু করা হয়।

তৎকালীন সরকারের আমলে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ একাডেমি (আইডিইএ) প্রায় ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি তৈরি করে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘চুক্তির শর্ত বিশ্লেষণের সুযোগ না দিয়েই আমাদের সই করতে বাধ্য করা হয়েছিল।’

তার ভাষ্য, ‘আমাদের সম্পৃক্ততা ছাড়াই পুরো ডকুমেন্টেশন তৈরি করা হয়েছিল। কোনো ধরনের সহায়তা ছাড়া এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় প্ল্যাটফর্মটি চালানো সম্ভব ছিল না।

’ 

বাংলাদেশ ব্যাংকের দাবি, প্ল্যাটফর্মটি পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নির্ধারিত ফি দীর্ঘদিন ধরে পরিশোধ করা হয়নি। ফলে আইনজীবীদের পরামর্শ অনুযায়ী তারা সেবাটি স্থগিত করেছে।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের এক চুক্তির আওতায় ‘বিনিময়’ চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুঝতে পারে, এতে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অনেক অসংগতি রয়েছে।

গত সাত-আট মাসে কোন অর্থও পরিশোধ করা হয়নি। 

এর আগে সোনালী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ইউসিবি, ইস্টার্ন ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক এবং মিডল্যান্ড ব্যাংকসহ আটটি ব্যাংক প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করছিল। এমএফএস সেবাদাতাদের মধ্যে ছিল বিকাশ, রকেট ও এমক্যাশ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের ইউপিআই মডেলের আদলে তৈরি হলেও ‘বিনিময়’ জনপ্রিয়তা অর্জনে ব্যর্থ হয়। ব্যবহারবান্ধব ফিচারের অভাব, পর্যাপ্ত প্রচারণা না থাকা এবং ব্যাংকগুলোর অনাগ্রহই এর মূল কারণ।

 

তবে এ খাতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ ব্যাংক। গেটস ফাউন্ডেশনের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওপেন সোর্স প্রতিষ্ঠান মোজালুপের সঙ্গে অংশীদারিত্বে নতুন একটি আন্তঃব্যবহারযোগ্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি হচ্ছে। চলতি বছরেই এটি চালুর আশা করছে তারা।

আরিফ হোসেন খান জানান, ‘নতুন প্ল্যাটফর্মের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। কিছু তথ্য-উপাত্ত দিতে হচ্ছে, আমরা দ্রুত সব সরবরাহ করছি। আশা করছি শিগগিরই চূড়ান্ত চুক্তি হবে।’

বিনিময় বন্ধ হলেও ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাল রূপান্তর থেমে থাকছে না। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা—এখন একটি স্বচ্ছ, কার্যকর ও নিরাপদ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে, যা দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থায় নতুন গতি আনবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ