1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল দেশীয় অর্থায়নে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’: পানিসম্পদমন্ত্রী জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী ফল উৎসবের পেছনে আছে সুদূরপ্রসারী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শন: তথ্যমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল নকলের সাজা যুক্ত করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী বাবার ‌‘পিট’ কেটে মায়ের সঙ্গে সন্তানরা, আইনি লড়াই শেষে স্বস্তিতে জোলি দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল যেখানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

রিপাবলিকান শিবিরে উত্তেজনা, ঝুলে আছে ট্রাম্পের ‘বিগ বিউটিফুল বিল’

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৭৬ Time View

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তার স্বপ্নের ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল’ বিল পাসের পথে এখনো রয়ে গেছে নাটকীয়তা। কর এবং ব্যয় কমানোর জন্য ট্রাম্পের তৈরি করা এই বিল এগিয়ে নিতে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে (নিম্নকক্ষ) রাতভর প্রচেষ্টা চালিয়েও রিপাবলিকানরা পর্যাপ্ত ভোট নিশ্চিত করতে পারেনি।

হাউস স্পিকার মাইক জনসন ঘোষণা দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে এই বিলের জন্য ভোটের সময় দীর্ঘক্ষণ চালু রাখা হবে। হাউসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন কট্টরপন্থী রিপাবলিকান এখনো বিলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

ইতোমধ্যে চারজন রিপাবলিকান প্রতিনিধি এই বিলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। আর তিনজন রিপাবলিকান প্রস্তাব থেকে সরে গেলেই বিলটি হাউসে মুখ থুবড়ে পড়বে।

যদি স্পিকার জনসন ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে হাউস রিপাবলিকানরা প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে পারেন, তাহলে বিলটি চূড়ান্ত ভোটে তোলা হবে দ্রুতই। কিন্তু ব্যর্থ হলে তা হবে ট্রাম্প প্রশাসনের বড় ধাক্কা।

এদিকে খোদ প্রেসিডেন্টের পছন্দের বিল হওয়ায় তার প্রত্যাশা ও চাপ পরিস্থিতি আরো জটিল করে তুলেছে।

বুধবার হোয়াইট হাউসে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন চিকিৎসক ও রাজনীতিক ড. মেহমেত ওজ, যিনি বর্তমানে মেডিকেইড সংস্থার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, বিলের স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট অংশ বিশেষ করে গ্রামীণ হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ এবং ‘প্রোভাইডার ট্যাক্স’ কিভাবে তাদের এলাকায় প্রভাব ফেলতে পারে।

দক্ষিণ ডাকোটার রিপাবলিকান প্রতিনিধি ডাস্টি জনসন বলেন, “হোয়াইট হাউজের বৈঠকগুলো ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে, সদস্যরা ধীরে ধীরে ‘হ্যাঁ’ বলার দিকে ঝুঁকছেন।”

তবে কট্টরপন্থী হাউজ ফ্রিডম ককাস এখনো বিরোধিতায় অনড়। তারা বিলের নানা দিক নিয়ে আপত্তি জানিয়ে একটি মেমো প্রকাশ করেছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে—অতিরিক্ত ঘাটতি, দুর্বল এনার্জি ট্যাক্স ক্রেডিট, এবং মেডিকেইড সংক্রান্ত ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ পরিবর্তনের কথা।

বিলের বর্তমান সংস্করণে রিপাবলিকান প্রতিনিধিরা একমত না হলে, তা আবারও সিনেটে পাঠাতে হবে। যেখানে পুরো প্রক্রিয়াটি আবারও প্রথম থেকে শুরু করতে হবে।
এদিকে আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের আগেই বিলটি পাস করিয়ে ট্রাম্পের মন রক্ষা করতে চান হাউসের নেতৃবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ