1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ডাচ-বাংলা ব্যাংক ও প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে চুক্তি সিলেট টেস্টের আগে কার থেকে কী পরামর্শ পেয়েছেন অমিত নওগাঁ কারাগারে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু দফাদারের নাম ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’, মহল্লাদারের নতুন পরিচয় ‘গ্রাম পুলিশ’ বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে যুক্ত হলো কমিউনিটি ব্যাংক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ধীরগতি, কাজে আসছে না বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনমিতির সুবিধা: বিশ্বব্যাংক ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু কালিয়াকৈরে ১১ প্লাটুন বিজিবি ও ২৫ ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন ছয় ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত হচ্ছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে | Boishakhi Online ‘ঘাড় থেকে মাথা সরিয়ে দেব’—বিএনপি নেতাকে হুমকি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার

এবারও চামড়ার কাঙ্ক্ষিত দাম মেলেনি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫
  • ১১১ Time View

কোরবানির গরুর চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম গতবারের চেয়ে এবার ৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করে সরকার। তবে সেই দরে চামড়া বিক্রি হচ্ছে না। চামড়ার দাম বাড়িয়ে দিলেও কাঙ্ক্ষিত দাম মেলেনি। এতে গরিব, অসহায় ও মিসকিনরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

রাজধানীতে চামড়ার দাম প্রতি ফুটে ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়িয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ৬০ থেকে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও চামড়া বিক্রি হয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে দাম আরও কম পড়েছে।

রাজধানীতে লবণ ছাড়া বড় এবং মাঝারি আকারের গরুর কাঁচা চামড়া ৬০০ থেকে সর্বোচ্চ ৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
আর যেসব গরুর চামড়া আকারে তুলনামূলক ছোট এবং মান কিছুটা খারাপ, সেগুলোর দাম ছিল ৩০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে। ঢাকার বাইরের বাজারে চামড়ার দাম আরো কম।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোরবানি গরুর চামড়া বিক্রির টাকা সাধারণত গরিব, অসহায় ও মিসকিনদের সাহায্য করার জন্য দেওয়া হয়। চামড়ার দাম যত কম হয়, ততই এ টাকা থেকে গরিবদের সাহায্য কম পৌঁছায় এবং তারা বঞ্চিত হয়।

চামড়া ব্যবসায়ীরা জানান, কোরবানি দাতাদের থেকে তারা সর্বোচ্চ ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকায় গরুর চামড়া কিনেছেন এবং ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রি করেছেন ৬০০ থেকে ৯০০ টাকায়। প্রতিবারই ট্যানারি মালিকরা চামড়ার দাম দিতে অনাগ্রহ দেখায়। এতে আমাদের মধ্যেও দাম দিয়ে চামড়া কেনার প্রবণতা দিন দিন কমে যাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাজধানীর এক চামড়া ব্যবসায়ী বলেন, ঢাকায় ভালো মানের চামড়ার দাম উঠেছে সর্বোচ্চ ৮০০ থেকে ৮২০ টাকা। এর ওপরে কোনোভাবেই চামড়া বিক্রি করা যায়নি।
কোরবানি দাতাদের থেকে ৭৫০ টাকায় চামড়া সংগ্রহ করে রীতিমতো বিপদে পড়তে হয়েছে বলে জানান তিনি।

বাড্ডার এক চামড়া ব্যবসায়ী বলেন, কাঁচা চামড়ার চাহিদা এবারও তলানিতে। ভালো দামে চামড়া বিক্রি করতে পারিনি। একটি ভ্যান আর দুইজন লেবার নিয়ে যে খরচ হয়েছে তার তুলনায় মুনাফা হয়নি বললেই চলে।

ট্যানারি পরিচালক ও এজেন্টরা জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় লবণ দেওয়া প্রস্তুতকৃত চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে। অনেক ক্ষেত্রে ট্যানারি থেকে কাঁচা চামড়া কেনায় দাম কম পড়েছে। তবে ৭০০ থেকে ৯০০ টাকায় সব চামড়া কেনা হয়েছে; এমন তথ্য ভুল দাবি করেছেন তারা। অনেক ভালো মানের চামড়া এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায়ও কেনা হয়েছে বলে জানান ট্যানারি সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে গতবারের মতো এবারও ছাগলের চামড়ার চাহিদা নেই বললেই চলে।

চামড়ার আড়তদার ও ট্যানারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার ঈদে ৮০-৮৫ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ট্যানারিগুলোর পক্ষ থেকে। ঈদের দিন কাঁচা চামড়া আসার হারও সন্তোষজনক। এ ছাড়া চামড়ার বাজারও এবার তুলনামূলক ভালো। বিগত কয়েক বছরের মতো এবার চামড়ার মূল্য না পেয়ে নষ্ট করেননি মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ