1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জিয়া নন, স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক ড. অলি আহমদ: চট্টগ্রাম সমাবেশে ডা. শফিকুর অর্থ আত্মসাৎ: মা-স্ত্রীসহ গায়ক নোবেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা নারীদের নিয়ে অসম্মানজনক মন্তব্য দুঃখজনক: আমীর খসরু আমার আসনেই যদি ভয় দেখানো হয়, অন্যদের আসনে কী অবস্থা বুঝে নেন: নাহিদ ইসলাম ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ১০ জনের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন মাওলানা ইউসুফ জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে মাগুরায় কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত রাজধানীতে ৩ দিনব্যাপী লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপো উদ্বোধন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ডিএমপির হটলাইন নম্বর চালু ইডিসিএলের এমডি সামাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

চৈত্রসংক্রান্তিতে ছুটি ঘোষণায় সরকারকে পার্বত্য উপদেষ্টার অভিনন্দন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩৮ Time View

চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে পার্বত্য অঞ্চলে ছুটি ঘোষণা করায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।

বুধবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর বেইলি রোডে বিসিএস ফরেন সার্ভিস একাডেমি অডিটরিয়ামে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিনন্দন জানান তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, ‘চৈত্রসংক্রান্তিতে এপ্রিল মাসের ১৩ তারিখ আমরা পাহাড়িরা ছুটি পেয়েছি।
এই উৎসব উদযাপনের জন্য পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জন্য ছুটি ঘোষণা করায় বর্তমান সরকারকে পার্বত্যবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘বিজু উৎসব চাকমা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান আনন্দ-উৎসব। পার্বত্য এলাকার রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সর্বত্র বিজু মেলা চলছে। গিলা খেলা, বলি খেলা ও বিভিন্ন ধরনের আনন্দদায়ক খেলা চলছে সেখানে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিজু উপলক্ষে বিভিন্ন প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা দেওয়ার কথা জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আমরা তিন জেলায় ৬০০ মেট্রিক টন চাল ও ৪৫০ মেট্রিক টন গম ইতোমধ্যে দিয়েছি।’

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বিজু উৎসব সম্পর্কে বলেন, বাংলা বছরের শেষ দুই দিন ও নববর্ষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়। এই দিন ভোরের আলো ফোটার আগেই ছেলে-মেয়েরা ফুল সংগ্রহের জন্য বেরিয়ে পড়ে।
সংগ্রহ করা ফুলের এক ভাগ দিয়ে বুদ্ধকে পূজা করা হয় আর অন্য ভাগ জলে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। বাকি ফুলগুলো দিয়ে ঘরবাড়ি সাজানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের সহকারী প্রেস সেক্রেটারি সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ