1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
গ্রাহকদের চাহিদা মত টাকা দিতে ন্যাশনাল ব্যাংককে নির্দেশ দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার শান্তিতে নোবেল পেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকার মানবাধিকার আইনজীবী নাভি পিল্লাই চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা সস্তা ও অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী ‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় তিন ছাত্রদল নেতার ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিল বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভি ও অনলাইনে আজকের খেলা ঢাবিতে দুই দিনব্যাপী তৃতীয় আন্তর্জাতিক কম্পিউটিং সম্মেলন আজ যেভাবে অত্যন্ত আনন্দঘন ও অর্থপূর্ণ উপায়ে উদযাপন করতে পারেন বিশ্ব ডিম দিবস মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নয়: ট্রাম্প বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ হচ্ছে আজ

হামাসকে যে হুমকি দিলেন নেতানিয়াহু

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৭৬ Time View

হামাসকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর হুমকি দিয়েছেন। সোমবার হামাস জানিয়েছিল প্রতিশ্রুতি মতো আগামী শনিবার তিনজন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে না। ইসরায়েল সংঘর্ষবিরতির চুক্তি ভঙ্গ করার কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছিল হামাসের পক্ষ থেকে।

এবার তার কড়া জবাব দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
বুধবার তিনি জানিয়েছেন, হামাস ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি না দিলে ফের গাজায় তীব্র অভিযান চালানো হবে। নেতানিয়াহুর দাবি, শনিবার দুপুরের মধ্যে হামাসের হাতে বন্দি ইসরায়েলি নাগরিকদের মুক্তি দিতে হবে।

আগে কথা ছিল শনিবার তিনজন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেবে হামাস। নেতানিয়াহু এবার সকল বন্দির মুক্তির কথা বলছেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

নেতানিয়াহুর কথায়, ‘শনিবার দুপুরের মধ্যে ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি না দিলে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স হামাসের ওপর চরম হামলা চালাবে। হামাসকে সম্পূর্ণ ধ্বংস না করা পর্যন্ত এই অভিযান বন্ধ হবে না।’

নেতানিয়াহুর এই বার্তা পাওয়ার পর ইসরায়েলের সেনা জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণে গাজা সীমান্তে তারা ইতিমধ্যেই অতিরিক্ত বাহিনী পাঠিয়েছে। রিজার্ভ ফোর্সকেও সেখানে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশ এলেই অভিযান শুরু হবে।

গাজা পরিস্থিতি

এদিকে গাজার অবস্থা কার্যত ধ্বংসস্তূপ। মঙ্গলবার জাতিসংঘের একটি সংস্থা জানিয়েছে, গাজাকে নতুন করে তৈরি করতে হলে সব মিলিয়ে ৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হবে। প্রথম তিন বছরে খরচ হবে ২০ বিলিয়ন ডলার। গাজায় ৬০ শতাংশ বাড়ি ধ্বংস হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।
শুধুমাত্র নতুন করে বাড়ি বানাতেই খরচ হবে ১৫ বিলিয়ন ডলার।

ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রতিষ্ঠানগুলিকে নতুন করে তৈরি করতে খরচ হবে আরো প্রায় সাত বিলিয়ন ডলার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে নতুন করে গড়ে তুলতে খরচ হবে আড়াই বিলিয়ন। ফসলের জমিগুলোকে আবার চাষযোগ্য করার জন্য খরচ হবে চার বিলিয়ন ডলার।

ট্রাম্প-আবদুল্লা বৈঠক

গাজার অধিবাসীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে মঙ্গলবার বৈঠক করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং জর্দানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লা। হোয়াইট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে।

ট্রাম্পের অভিমত, গাজা স্ট্রিপকে খালি করে দেওয়া হোক। আমেরিকা ওই এলাকার দায়িত্ব নেবে এবং জায়গাটিকে একটি পর্যটকস্থল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। অন্যদিকে গাজার অধিবাসীদের জর্দানের অথবা মিসরে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। কিন্তু প্রথম থেকেই জর্দান ও মিসর এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছেন।

মঙ্গলবারের বৈঠকেও জর্দানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কোনোভাবেই গাজার অধিবাসীদের জর্দানের স্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা করা হবে না। বরং তার বক্তব্য, গাজার মানুষ যাতে আবার শান্তিতে সেখানেই বসবাস করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করতে হবে। সেখান থেকে কোনোভাবেই তাদের উৎখাত করা যাবে না।

দুই-রাষ্ট্রের তত্ত্বের ভিত্তিতে গাজা সমস্যার সমাধান প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়ে এসেছেন, কোনোভাবেই জর্দানে গাজার ফিলিস্তিনি অধিবাসীদের জন্য আলাদা থাকার জায়গা দেওয়া সম্ভব নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ