1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের ব্যর্থতার দায় নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের পদত্যাগ রাজধানীর শাহবাগে ৪০ লাখ জাল টাকাসহ গ্রেফতার ৪ জলবায়ু স্থিতিস্থাপক সমাজ গড়তে নারীর ক্ষমতায়ন অপরিহার্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুইজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭ বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১০৪ Time View

যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে তাদের মিত্রদের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করেছে। কানাডা ও মেক্সিকো থেকে আমদানি পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ এবং চীন থেকে আমদানি পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূচনা হলো। এরই মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর ওপরও শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে কিছু পণ্য আমদানির ওপরও শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। এ ছাড়া ব্রিকস অর্থনৈতিক জোটের সদস্যরা যদি ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রা ব্যবহার করে তবে তাদের ওপর ১০০ ভাগ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।

ওয়াশিংটন টাইমস আরো জানিয়েছে, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ স্লোগান নিয়ে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে মার্কিন বাণিজ্যিক সম্পর্কের একটি নয়া যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের শাসক গোষ্ঠী মনে করে, বিভিন্ন দেশের মধ্যে ‘উন্মুক্ত দ্বার নীতি’ ও বাণিজ্যিক শুল্ক হ্রাস নীতি চূড়ান্তভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর।
সুতরাং মার্কিন অর্থনৈতিক আধিপত্য বজায় রাখার স্বার্থে বিগত কয়েক দশকের নীতিতে পরিবর্তন করতে হবে।

এ বিষয়ে ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের দেশ যখন শুল্ক আরোপ করেছিল তখন ধনী ছিল।’ তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগের সময়ের কথা উল্লেখ করছেন, যখন যুক্তরাষ্ট্র বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর বেশি শুল্ক আরোপ করেছিল।

এখন বাণিজ্য শুল্ক তুলে নেওয়া কিংবা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করার ফলে, যুক্তরাষ্ট্র একটি রপ্তানিকারক দেশ থেকে একটি প্রধান আমদানিকারক দেশে পরিনত হয়েছে।
যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৫০ হাজার কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

অন্যভাবে বলা যায়, মার্কিনরা প্রতিবছর রপ্তানির চেয়ে ৫০ হাজার কোটি ডলার বেশি আমদানি করে। বছরের পর বছর ধরে চলমান এই পরিস্থিতি মার্কিন কর্মকর্তাদের দৃষ্টিতে সহনীয় নয়, যেকোনো উপায়ে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন করতেই হবে। কিন্তু কিভাবে? এই পরিবর্তন আনার হাতিয়ার হলো আমদানি পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করা।

তাদের যুক্তি হলো, আমদানীকৃত পণ্যের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমদানি পণ্যের পরিমাণ কমে যাবে এবং মার্কিন বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতিও হ্রাস পাবে।
তারা আশাবাদী, এ উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের শ্রমিকদের প্রতি পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া যাবে।

তবে কানাডা, মেক্সিকো, চীন, অথবা ইইউ সদস্য দেশগুলো থেকে আমদানীকৃত পণ্যের ওপর বেশি শুল্ক আরোপের ফলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি পণ্যের ওপরও একই রকম শুল্ক আরোপের মাধ্যমে প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য রপ্তানিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে ট্রাম্প যে শুল্ক যুদ্ধ শুরু করেছেন তা শুধু আমদানীকৃত পণ্যের দামই যে বাড়বে তা নয় বরং যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বাজারকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। উভয় দিক থেকেই মার্কিনদের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে। জনগণের ওপর এই চাপ সৃষ্টির কথা ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন।

কিন্তু ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের বাণিজ্যযুদ্ধে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে কিংবা আরো তীব্র করার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে এ বিষয়গুলোর কোনোটিই ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে বলে মনে হচ্ছে না। তাদের দৃষ্টিতে, বিশেষ করে কানাডা, মেক্সিকো বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যদের বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনীতি এতটাই শক্তিশালী ও বিশাল যে বাণিজ্যযুদ্ধে পরাজিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। শেষ পর্যন্ত ওই দেশগুলো মার্কিন শর্ত মেনে নেবে। বেইজিংয়ের ওপরও রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা চাপ তীব্র হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ