1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘পিছিয়ে থাকা’ ৩ পার্বত্য জেলা আর লম্বা পরীক্ষায় ফল খারাপ চট্টগ্রামে! এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় বিদেশ কেন্দ্রে পাশের হার ৯০.৮৭ শতাংশ আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা বিভাজন চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের অবরোধ, ৫ ঘণ্টা পর সচল মহাসড়ক সিলেট টেস্টের বাংলাদেশ দলে একটি পরিবর্তন পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত : একজন বাধ্যতামূলক অবসরে জরুরি প্রয়োজনে এক কিস্তির টাকা তুলতে পারবেন ওয়ালটনের ক্রেতারা রাজশাহী বোর্ডের ৩৯ কলেজের কেউ পাস করেনি নীতি বদলে প্রথমবারের মতো শ্রমিক সংগঠন গঠন করল বিজেপি লালনের মানবতাবাদী দর্শন ভারত বাংলাদেশ বন্ধুত্বের সেতু বললেন হাইকমিশনার

আ.লীগ হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩
  • ১১১ Time View

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আপনারা বিএনপি-জামায়াতের সময়ে দেখেছেন সন্ত্রাসের ইতিহাস, জঙ্গির ইতিহাস ও বাংলা ভাইয়ের ইতিহাস। পরপর পাঁচবার এক নম্বর দুর্নীতি পরায়ণ দেশের ইতিহাস। আমরা হত্যার রাজনীতি বিশ্বাস করি না। আমরা একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় যেতে চাই না। আমরা সিরিজ কিলিংয়ে যেতে চাই না।

বুধবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার কারণে বাংলাদেশের গণতন্ত্র টেকসই হয়েছে। তিনি ক্ষমতায় আসার পর দেশে নির্বাচন হচ্ছে। শেখ হাসিনা মানবাধিকারের জন্য কাজ করছেন। বিদেশি বন্ধুদের নিশ্চয়তা দিতে চাই যে, প্রধানমন্ত্রী আছেন বলে মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হচ্ছে। যতদিন শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ আছে, আমরা এগুলোকে প্রিন্সিপাল এবং ভ্যালুস হিসেবে রাখব।

তিনি বলেন, যারা আজ মানবাধিকারের কথা বলেন তারা বিভিন্ন অজুহাতে বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছেন। আমরা তাদের বিচারের সম্মুখীন করতে চাই। বিদেশি বন্ধুদের বলতে চাই, আল্লাহর ওয়াস্তে এ ধরনের ঘাতকদের ফেরাতে উদ্যোগ নেন। যারা অপরাধী তাদের অবশ্যই বিচারের সম্মুখীন করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হলো। তখন আমাদের বড় বড় বন্ধুরা যারা এখন মানবাধিকারের কথা বলেন, তাদের মুখ থেকে তখন একটি কথাও বের হয়নি। তারা মানবাধিকারের কথা বলেন, কিন্তু তারা তখন নিশ্চুপ ছিলেন। আর ঘাতকদের বিভিন্ন অজুহাতে এখনও তাদের দেশে আশ্রয় দিয়ে রেখেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ