1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার সৌদি আরবে প্রবাসীদের সাদা কাগজে স্বাক্ষর কিংবা টিপসই দেওয়া থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে দূতাবাস দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল বিমানবন্দরে ইরানি অধিনায়ককে আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র টানা ৩ ম্যাচে গোল ভিনির, ইতিহাস বলছে বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প মুদি দোকানসহ ১৭ ব্যবসা খাত আসছে ভ্যাটের আওতায় ভিনির নৈপুণ্যে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ব্রাজিল মেসি-এমবাপ্পের রাজকীয় দ্বৈরথ, জমে উঠছে বিশ্বকাপ

‘এখন আর টাকা-পয়সা নিয়ে চিন্তা করি না’

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪০ Time View

‘সূর্যবংশী’র দৌড় অব্যাহত। শনিবার পর্যন্ত বক্সঅফিসে এই ছবি ১৩৮ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। ছবির সাফল্য নিয়ে মুখ খুললেন অক্ষয়কুমার। মুম্বাইয়ে তার মুখোমুখি হয়েছেন শামা ভগত। পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হল:

প্রশ্ন : বিশ্বব্যাপী মহামারীর আবহ কাটিয়ে ‘সূর্যবংশী’ই প্রথম ছবি যেটা ১০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করল।
অক্ষয় কুমার : খুব ভালো লাগছে। দর্শকদের ধন্যবাদ। গত দুটো বছর প্রত্যেকের জন্যই কঠিন ছিল। অনেকেই কাছের মানুষকে হারিয়েছেন। এই ছবিটা যেন মানুষের মধ্যে একটা আশার আলো নিয়ে এসেছে।

প্রশ্ন : ছবির এই সাফল্য নিয়ে আপনি কি নিশ্চিত ছিলেন?
অক্ষয় কুমার : একদম নয়। কারণ আমার আগের ছবি ‘বেল বটম’ সিনেমা হলে তো ৪০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। কিন্তু হাল ছাড়লে তো চলবে না। ভাগ্যক্রমে এই ছবিটা ভালোই ব্যবসা করছে। বাকিদেরও মনের জোর বাড়ল।

প্রশ্ন : ওটিটি প্রমাণ করেছে যে, স্টারডমের জমানা শেষ। কিন্তু ‘সূর্যবংশী’ তো অন্য কথা বলছে…
অক্ষয় কুমার : আমি বিশ্বাস করি, বিষয় ভাবনাটাই আসল এবং চিত্রনাট্যকাররাই আমাদের স্টার বানান। ওঁরা ভালো গল্প না লিখলে আমরা আর কতটা করতে পারি।

প্রশ্ন : এই ছবিতে আপনার চরিত্রটা প্রায়শই লোকের নাম ভুলে যায়। বাস্তব জীবনে আপনি এরকম কোনও মানুষ দেখেছেন?
অক্ষয় কুমার : (হেসে) সত্যি বলতে কী, আমি নিজেও অনেকের নাম ভুলে যাই। রোহিত (শেট্টি) আমার এই স্বভাবটা জানে। ওই চিত্রনাট্যকারকে বলেছিল বিষয়টা ছবিতে রাখতে ।

প্রশ্ন : ছবিতে হেলিকপ্টারের স্টান্টগুলো নাকি কোনওরকম সেফটি গিয়ার ছাড়াই করেছেন। ভয় করেনি?
অক্ষয় কুমার : একটা ভয় তো কাজ করেই। কিন্তু সেটে স্টান্ট করা মানে সেটা একটা টিমওয়ার্ক। কতক্ষণ হেলিকপ্টার থেকে ঝুলে থাকতে হবে, কটা শট, কতটা শক্ত করে ধরতে হবে— সবকিছু জেনে নিয়েই তারপর পারফর্ম করেছিলাম। এখন আমার পরিবার এগুলো নিয়ে আর ভাবে না। ওরা হাল ছেড়ে দিয়েছে।

প্রশ্ন : ছবি তৈরি তো একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া। অভিনয় ছাড়া ছবি তৈরির অন্য কোনও দিক আপনাকে ভাবায় না?
অক্ষয় কুমার : না। তবে চিত্রনাট্যের পিছনে সময় দেওয়ার চেষ্টা করি। একটানা ১০-১২ দিন ভোর চারটের সময় আমার টিম হাজির হয়। তারপর আমি সেটা নিয়ে আলোচনা করি।

প্রশ্ন : বিগত দু’বছর থেকে কী শিখলেন?
অক্ষয় কুমার : ভয় পেয়ে ঘরে বসে থাকলে চলবে না। আপনাকে এগতেই হবে। জীবনকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে।

প্রশ্ন : রোহিত শেট্টির পরিচালনায় এই প্রথম কাজ করলেন। কীরকম অভিজ্ঞতা হল?
অক্ষয় কুমার : প্রথম ছবি হলেও ওকে আমি দীর্ঘদিন চিনি। ‘হাকিকত’ ও ‘জুলমি’র সময় থেকে। রোহিত তখন সহ-পরিচালক। সেটে ওর মতো পরিশ্রমী মানুষ খুব কম দেখেছি। এখনও রোহিত একইরকম রয়েছে।

প্রশ্ন : আরভ (ছেলে) ওর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আপনার সঙ্গে কোনও আলোচনা করেছে? শুনেছি ও নাকি একটা উপন্যাস লিখছে?
অক্ষয় কুমার : না, কিছুই লিখছে না। এখন ও পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত।

প্রশ্ন : চিত্রনাট্য নির্বাচনের সময় এখনও কোনও ভয় কাজ করে?
অক্ষয় কুমার : সঠিক ছবিটা বেছে নেওয়ার একটা চাপ তো থাকেই। ছবিটা চলবে নাকি চলবে না সেই ভয়টা তো কাজ করেই।

প্রশ্ন : তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বলিউডে সুপারস্টারডম উপভোগ করছেন। এখনও অনিশ্চয়তা আপনাকে ভাবায়?
অক্ষয় কুমার : মাথার মধ্যে একটা অনিশ্চয়তা চলে। কিন্তু সেটাকে বিশেষ পাত্তা দিই না। সত্যি বলতে এখন আর টাকা পয়সা নিয়ে চিন্তা করি না। বরং ভালো ছবি করতে চেষ্টা করি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ