1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আগের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে রয়েছেন : মির্জা ফখরুল বিটাকে শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তাও তৈরি করা হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী পুরোনো মালিকদের ব্যাংকে ফেরার ধারা বাতিলের ঘোষণা সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান চলমান, মৃত্যু বেড়ে ১৭১৯ জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’ যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি পালন করলে ইরানও করবে: মাসুদ পেজেশকিয়ান মানবতাবিরোধী অপরাধ : ইনুর মামলার রায় ঘোষণা দুপুরে, হবে সরাসরি সম্প্রচার

৮৭ বছর পর আয়া সোফিয়ায় ঈদের জামাত

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১
  • ৩৮ Time View

তুরস্কের ইস্তানবুলে অবস্থিত বিখ্যাত মসজিদ আয়া সোফিয়াতে দীর্ঘ ৮৭ বছর পর ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। কয়েক হাজার মুসল্লি ও দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় সংস্থা দিয়ানেতের প্রধান আলি এরবাসের নেতৃত্বে এ জামাতে অংশ নেন।

জানা যায়, এদিন প্রাচীন অটোমানদের রীতি অনুযায়ী তরবারি হাতে নিয়ে ঈদের বিশেষ খুতবা পাঠ করেন আলি এরবাস। খুতবায় তিনি বলেন, ব্যতিক্রমী সময়ে পালিত এই দিন আমাদের হৃদয়কে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং আমাদের ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

তিনি এ সময় ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এছাড়া তিনি ফিলিস্তিনিদের জন্য বিশেষ নামাজও আদায় করেন।

আলি এরবাস বলেন, রমজান মাসের মতো একটি বিশেষ সময়ে জেরুজালেম দখল করতে এবং আমাদের প্রথম কিবলা মসজিদুল আকসাতে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য দুঃখজনক।

আয়া সোফিয়া অতীতে ৯১৬ বছর চার্চ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। তুর্কি খেলাফতের পতনের পর ৮৬ বছর এটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ১৪৫৩ সাল থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫০০ বছর এই স্থাপনা মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করেছেন মুসলমানরা। গত বছর এটি মসজিদের মর্যাদা পুনরায় ফিরে পায়।

১৯৮৫ সালে আয়া সোফিয়া ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। আইকনিক মসজিদের পাশাপাশি এ স্থাপনা তুরস্কের অন্যতম পর্যটন স্থান। প্রতি বছর অনেক বিদেশি এ স্থাপনা দেখতে আসেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ