1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গঠনে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজশাহীর বন্ধ শিল্প চালু করতে কাজ করছে সরকার: রিজভী বাংলাদেশে জাতিগত কোনো ভেদাভেদ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এমডি হতে ডিএমডি পদে ২ বছরের অভিজ্ঞতা লাগবে না ঢাকেশ্বরীতে মহানবমী: উৎসবের আনন্দের মাঝেই বিদায়ের সুর বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা সমঝোতা সই শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ৫ দিন ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ | Boishakhi Online গোয়েন্দা তথ্য আছে, পতিত স্বৈরাচার বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে অর্থ সরবরাহ করছে: প্রধানমন্ত্রী ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি হতে পারে ‘কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই’: মার্কো রুবিও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এমডি পদের শর্ত শিথিল

৮৭ বছর পর আয়া সোফিয়ায় ঈদের জামাত

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১
  • ৪৮ Time View

তুরস্কের ইস্তানবুলে অবস্থিত বিখ্যাত মসজিদ আয়া সোফিয়াতে দীর্ঘ ৮৭ বছর পর ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। কয়েক হাজার মুসল্লি ও দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় সংস্থা দিয়ানেতের প্রধান আলি এরবাসের নেতৃত্বে এ জামাতে অংশ নেন।

জানা যায়, এদিন প্রাচীন অটোমানদের রীতি অনুযায়ী তরবারি হাতে নিয়ে ঈদের বিশেষ খুতবা পাঠ করেন আলি এরবাস। খুতবায় তিনি বলেন, ব্যতিক্রমী সময়ে পালিত এই দিন আমাদের হৃদয়কে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং আমাদের ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

তিনি এ সময় ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এছাড়া তিনি ফিলিস্তিনিদের জন্য বিশেষ নামাজও আদায় করেন।

আলি এরবাস বলেন, রমজান মাসের মতো একটি বিশেষ সময়ে জেরুজালেম দখল করতে এবং আমাদের প্রথম কিবলা মসজিদুল আকসাতে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য দুঃখজনক।

আয়া সোফিয়া অতীতে ৯১৬ বছর চার্চ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। তুর্কি খেলাফতের পতনের পর ৮৬ বছর এটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ১৪৫৩ সাল থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫০০ বছর এই স্থাপনা মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করেছেন মুসলমানরা। গত বছর এটি মসজিদের মর্যাদা পুনরায় ফিরে পায়।

১৯৮৫ সালে আয়া সোফিয়া ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। আইকনিক মসজিদের পাশাপাশি এ স্থাপনা তুরস্কের অন্যতম পর্যটন স্থান। প্রতি বছর অনেক বিদেশি এ স্থাপনা দেখতে আসেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ