1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভারপ্রাপ্ত থেকে এনবিআরের পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব মালয়েশিয়ার সঙ্গে এফটিএ আলোচনায় রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে নজর ব্যাংক আলফালাহ ও এসওএস চিলড্রেনসের চুক্তি সিলেট থেকে ১৪০ রাউন্ড সিসার গুলি নিয়ে ঢাকায় আসছিলেন নারী আওয়ামী লীগকে একে অন্যের দিকে কেন ঠেলছে বিএনপি ও জামায়াত? বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনে ২৭৪ পদে চাকরি বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান ও সানায়ে তাকাইচি টানা চতুর্থবার সেরা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের স্বীকৃতি পেল ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট সোনালী ব্যাংকে ফেরানো হল শওকত আলী খানকে প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইন মুসলিমদের প্রতি ‘বৈষম্যমূলক’ : জাতিসংঘ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬২ Time View

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে উত্তাল ভারত। এই আইনের প্রতিবাদে সরব বিভিন্ন মহল। এবার মোদী সরকারের এই আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল জাতিসংঘ। এই আইন মুসলিমদের প্রতি ‘বৈষম্যমূলক’ বলে জতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

শুক্রবার জেনেভায় এই সাংবাদিক বৈঠকে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত দপ্তরের মুখপাত্র জেরেমি লরেন্স বলেন, ‘ভারতের নতুন নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চরিত্রগতভাবে বৈষম্যমূলক। এই আইন নিয়ে আমরা চিন্তিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এই আইন খতিয়ে দেখতে চলেছে। এই আইন পর্যালোচনায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষায় ভারতের দায়বদ্ধতার প্রসঙ্গটিও আদালত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।’

নয়া নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে সারা ভারত উত্তাল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে আসাম এবং ত্রিপুরায় মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী। উত্তরপূর্বের আর এক রাজ্য মেঘালয়ের পরিস্থিতিও ক্রমশ ঘোরাল হচ্ছে। গোটা পরিস্থিতিতে এমনিতেই অস্বস্তিতে মোদী সরকার। এর মধ্যে কেন্দ্রের অস্বস্তি বাড়াল জাতিসংঘ।

ভারতের নাগরিকত্ব বিল নিয়ে ভারতের বাইরে এর আগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চাইল যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক কমিশন। সম্প্রতি ইউএস কমিশন ফর ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (USCIRF) এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, ‘যদি বিলটি সংসদের উভয় কক্ষে পাশ হয়ে যায়, তাহলে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও কেন্দ্রের প্রধান নেতৃ্ত্বের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আনা উচিত আমেরিকার।’

মোদী সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে আসামে প্রথম বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। সেখান থেকে তা ছড়িয়ে পড়ে ত্রিপুরায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই দুই রাজ্যে সেনাবাহিনীর সহায়তা নিচ্ছে প্রশাসন। এ দিকে, সময় যত বাড়ছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যেও দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভের আগুন।

শুক্রবার মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে বিশাল বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে। ক্ষিপ্ত জনতাকে পুলিশ লাঠিচার্জও করে। শিলং থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে বিক্ষোভের মুখে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। পাশাপাশি রাজধানী দিল্লিতেও এই বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে। জামিয়া মিল্লিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন।

পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকেও এদিন সকাল থেকে রেল অবরোধ-বিক্ষোভের খবর পাওয়া গিয়েছে। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গাতেও আরপিএফ কর্মীদের মারধর করা, কেবিনম্যানকে পেটানো থেকে আগুনও লাগানো হয় স্টেশনে। ডায়মন্ড হারবার শাখার বাসুলডাঙাতেও এবং বারুইপুর-ডায়মন্ড হারবার শাখায় রেল অবরোধ করেন এই আইনের বিরোধীরা।

সূত্র: এই সময়

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ