1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
র‍্যাবকে রাজনৈতিকভাবে এক ঘণ্টার জন্যও ব্যবহার করিনি, কেউ প্রমাণ দেখাতে পারবে না: বাবর নতুন বছরে জ্বালানি তেলের দাম কমলো লিটারে ২ টাকা হাদি হত্যাকাণ্ডে ফয়সালের নির্দোষ দাবির ভিডিও, ডিবি বলছে—প্রমাণই শেষ কথা চীন ও তাইওয়ানের এক হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না: শি জিনপিং গাইবান্ধায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার মুস্তাফিজ ইস্যুতে শাহরুখকে ‘গাদ্দার’ বললেন বিজেপি নেতা দেশের রিজার্ভে ঊর্ধ্বগতি, ছাড়াল ৩৩ বিলিয়ন ডলার দেশে দেশে নতুন বর্ষ বরণ খালেদা জিয়ার হত্যার দায় থেকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা কখনোই মুক্তি পাবেন না এক ঐতিহাসিক বিদায়, যা দেশের মানুষের জন্য যথাযথ শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে: তারেক রহমান

এনআরসিতে বাদ পড়া ব্যক্তিরা ‘রাষ্ট্রহীন’ নন : ভারত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৩২ Time View

ভারতের আসাম রাজ্যে নাগরিক তালিকায় (ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার অব সিটিজেন্স, সংক্ষেপে এনআরসি) বাদ পড়া ১৯ লাখ বাসিন্দা ‘রাষ্ট্রহীন’ নন। এনআরসির ভিত্তিতে তাদের ‘বিদেশি’ও বলা যাবে না। এমনকি এনআরসিতে বাদ পড়ার কোনো প্রভাব তাদের ওপর পড়বে না এবং তারা কোনো অধিকার থেকেও বঞ্চিত হবেন না। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রভিশ কুমার রবিবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানান।

ভারত সরকার বলেছে, ১৯৪৭ সালের ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী কেবল বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কাউকে ‘বিদেশি’ হিসেবে ঘোষণা করা যায়। মানবাধিকারের সুরক্ষাসহ প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের ওপর ভিত্তি করে ভারতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বেশ সময় লাগবে। আর এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় গণতান্ত্রিক রীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভারতীয় আইনের ‘ফোর কর্নারের’ (আইনি মতবাদ) ভিত্তিতেই নেওয়া হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, গত শনিবার আসাম রাজ্যে এনআরসির সমন্বয়ক এনআরসির আওতায় চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা প্রকাশ করেছে। এই পর্যায়ে প্রায় তিন কোটি ৩০ লাখ আবেদন বিবেচনা করা হয়েছে। ১৯ লাখ আবেদনকারীর নাম চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পায়নি। গোপনীয়তার স্বার্থে বাদ পড়াদের নাম প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। তবে বাদ পড়া ব্যক্তিরা অনলাইনে তাদের আবেদনের ফলাফল জানতে পারছেন।

ভারত সরকারের বিবৃতি অনুযায়ী, আসামে এনআরসিতে বাদ পড়া প্রত্যেক ব্যক্তি এ সংক্রান্ত ‘নোটিফিকেশন’ (বিজ্ঞপ্তি) পাবেন। সেই বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার ১২০ দিনের (চার মাস) মধ্যে নির্দিষ্ট ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে তারা আপিল করার অধিকার রাখেন। এই ট্রাইব্যুনাল এনআরসিতে বাদ পড়াদের আপিল আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। এটি একটি বিচারিক প্রক্রিয়া। আপিল আবেদন করার সময় (বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার পর থেকে ১২০ দিন) শেষ হওয়ার পর ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। এটি এ বছরের ৩১ ডিসেম্বরের পর হতে পারে।

ভারত সরকার বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের রায়ে অসন্তুষ্ট যে কেউ আসাম হাইকোর্টে যেতে পারবেন। সেখানেও রায়ে সন্তুষ্ট না হলে তিনি ভারতের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারবেন। আসাম সরকার এ ক্ষেত্রে আগ্রহী সবাইকে আইনি সহযোগিতা দেবে।

ভারত সরকার বলেছে, আসামে এনআরসি একটি সংবিধিবদ্ধ আইনি প্রক্রিয়া। ১৯৮৫ সালে ভারত সরকার, আসাম রাজ্য সরকার এবং অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন ও অল আসাম গণ সংগ্রাম পরিষদের মধ্যে সই হওয়া ‘আসাম চুক্তি’ বাস্তবায়ন করতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এনআরসি হালনাগাদ করা হয়েছে। রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের উদ্যোগে এনআরসি হয়নি। সুপ্রিম কোর্টই এ যাবৎ এনআরসির তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এছাড়া এনআরসি ছিল আবেদনভিত্তিক প্রক্রিয়া। বাড়ি বাড়ি গিয়ে আদমশুমারি নয় বরং এনআরসিতে নাম ওঠাতে ইচ্ছুক এমন ব্যক্তিদের আবেদনের ভিত্তিতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তাদের প্রমাণ করতে হয়েছে যে তারা ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে আসামের বাসিন্দা ছিলেন বা তাদের বংশধর।

ভারত সরকারের দাবি, এই প্রক্রিয়ায় কোনো বৈষম্য করা হয়নি। হালনাগাদ এনআরসির জন্য আবেদনপত্রে ধর্মীয় পরিচয় সংক্রান্ত কোনো তথ্যই চাওয়া হয়নি।
এনআরসিতে বাদ পড়া ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তির আবেদন গ্রহণের জন্য আসাম রাজ্য সরকার বিদ্যমান একশ ট্রাইব্যুনালের পাশাপাশি সোমবার থেকে আরো দু’শ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করছে। আগামী ডিসেম্বর মাস নাগাদ আরো দু’শ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করবে আসাম রাজ্য সরকার। আপিল আবেদনকারীদের সুবিধার্থে ব্লক পর্যায়ে ট্রাইব্যুনালগুলো স্থাপন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ