1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে আগ্রহী স্পেন সংসদে সভাপতিকে ‘ঝুঁকিয়া’ সম্মান জানানোর বাধ্যবাধকতা নেই : স্পিকার দেশে ২ লাখ ৮৮ হাজার হেক্টর জমিতে গম চাষ হচ্ছে: সংসদে কৃষিমন্ত্রী সবার মতামত নিয়ে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী চুক্তি বাস্তবায়নে সুইজারল্যান্ডে বসছে ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রতিনিধিরা লোহিত সাগরে দুই যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে জার্মানি ‘রকস্টার’কে টপকে মাল্টিপ্লেক্সে রাজত্ব করছে ‘রইদ’ যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’ সিটি গ্রুপকে সচল রাখতে ২৬,৬০০ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনে ৩৬ ব্যাংক

সন্তানকে কাছে রাখার অধিকার পেলেন বাঁধন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৮
  • ৭০ Time View

সন্তানকে কাছে রাখার অধিকার চেয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করেছিলেন লাক্সতারকা আজমেরী হক বাঁধন।

আজ সোমবার বাঁধনের দায়ের করা ওই মামলার রায় প্রদান করেছে আদালত। মামলালার রায়ে বাঁধন জয়ী হয়েছেন। এখন থেকে মেয়ে সায়রার সম্পূর্ণ দায়িত্ব বাঁধনের।

দুপুরে বাঁধন তার ফেসবুক একটি পোস্ট দিয়ে জানিয়েছেন, দ্বাদশ সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালত, (ঢাকা) যে আদেশ আমার মামলায় দিলেন, তা একটি যুগান্তকারী রায় এবং আদালত পাড়ায় মাইলফলক।

বাঁধনের আইনজীবী দিলরুবা শারমিন বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয়, এই উপমহাদেশ এটি বিরল উদাহরণ হয়ে থাকবে।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী কন্যা সন্তান সায়রার অভিভাবক হচ্ছেন মা আজমেরী হক বাঁধন। এখন থেকে মা (বাঁধন) এর জিম্মাতেই থাকবে মেয়ে। বাবা মাসে কেবল দুই দিন মায়ের বাড়িতে গিয়ে মায়ের উপস্থিতিতে মেয়েকে দেখে আসতে পাড়বেন। কিন্তু কন্যার মঙ্গলের জন্য মায়ের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত।
সন্তানকে কাছে রাখার অধিকার পেলেন বাঁধন
বাঁধন জানান, সায়রার বাবা মেয়ের পাসপোর্ট আটকে রেখেছেন। যদি বাবা সেটা ফেরত না দেন, তাহলে বাদিকে থানায় জি.ডি (সাধারণ ডায়েরি) করার পরামর্শ দিয়েছেন আদালত। তারপর নতুন পাসপোর্ট দেবার জন্য পাসপোর্ট অফিসে আদালতের পক্ষ থেকে চিঠি ও আদেশ পাঠিয়ে দেয়া হবে জানান বাঁধনের আইনজীবী।

মেয়ের অভিভাবকত্ব পাওয়ার পর বাঁধন বলেন, একটি বিশেষ দিক উল্লেখ না করলেই নয়। সামান্য ৫ লাখ টাকা দেনমোহরের দাবি আমি করিনি। কন্যার ভরণ-পোষণ তার বাবা এতদিন দেননি, আমি চাইওনি। বাবার কাছ থেকে ভরণ-পোষণ প্রতিটা মেয়ের অধিকার, মেয়ের দেখভাল করা প্রতিটি বাবারই দ্বায়িত্ব। সেই কাজটা এতদিন আমিই করে এসেছি। সায়রার বাবা ভবিষ্যতে করবেন কি না, সেটা তার বিবেচনাতেই থাক। আমার জীবনের এই অংশটায় যারা যারা সমর্থন করেছেন, তাদের প্রত্যেককে আমার কৃতজ্ঞতা।’

উল্লেখ্য, গত বছর ৩ আগস্ট বাঁধনের পক্ষ থেকে এই মামলা করা হয়েছিল। ২০১০ সালে বিয়ে করা বাঁধনের সংসার ভেঙে যায় ২০১৪ সালে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ