1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫ দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট সমাধানের আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর ফোনের অ্যালার্ট কীভাবে ভূমিকম্পের কয়েক সেকেন্ড আগে লাখ লাখ মানুষকে সতর্ক করে ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫, আহত ৪৩০০ ছাড়াল নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব না দেওয়ায় এনসিপিসহ সাত দলকে শোকজ চীনের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেনাপ্রধানের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার

কর্মস্থলে মেয়েদের জিন্স টি-শার্ট পরে আসতে মানা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ মে, ২০১২
  • ১৩৬ Time View

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের নারী ও শিশু অধিদপ্তর (ডব্লিউসিডি) তাদের মাঠকর্মীদের ‘শালীন’ পোশাক পরার পরামর্শ দিয়েছে। তারা বলেছে, নারী কর্মীরা যেনো কর্মস্থলে জিন্স ও টি-শার্ট পরে না আসে।

ডব্লিউসিডি এ ব্যাপারে তাদের শাখা পরিচালকদের কার্যালয়ে গত ১৮ এপ্রিল প্রজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মেয়েরা শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ সঙ্গে দোপাট্ট আর ছেলেরা শার্ট ও প্যান্ট পরে কর্মস্থলে যাবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ইদানীং লক্ষ্য করা যাচ্ছে বেশিরভাগ নারী কর্মী জিন্স-টিশার্ট বা পশ্চিমা পোশাক পরে কর্মস্থলে আসছেন। এটা শুধু বেখাপ্পায়ই লাগে না বরং সরকারি আইনেরও লঙ্ঘন। নতুন আইন লঙ্ঘনকারীদের ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

অনেকের মধ্যে আপত্তি থাকলেও নারী ও শিশু অধিদপ্তরের এ নতুন আইনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন রাজ্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রী গীতা ভুকাল। তিনি বলেছেন, ‘সব পেশারই একটা ড্রেস কোড থাকে। আর সবাইকে তা মেনে চলা উচিৎ। তবে এ আদেশে যদি কেউ মনক্ষুণ্ন হন তাহলে অভিযোগের ভিত্তিতে তা পুনরায় পর্যালোচনা করে দেখা হবে।’

প্রজ্ঞাপনে জিন্স ও টি-শার্টকে পরোক্ষভাবে অশালীন পোশাক বলায় অবশ্য সমালোচনা করেছেন গীতা। তিনি বলেছেন, ‘জিন্স ও টি-শার্ট অশালীন পোশাক নয়। আমি বুঝি যে, প্রজ্ঞাপনে এই শব্দটি ব্যবহার করা ঠিক হয়নি।’

আদেশের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে ডব্লিউসিডির’ একজন নারী কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এ অদ্ভুত আদেশের পেছনের যুক্তিটা কী আমরা তা বুঝতে পারছি না। অথচ বেশিরভাগ নারী এবং কর্মীই ভারতীয় পোশাক পরে। আমরা জানি না, এ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ জানাতে পারব না কি না যেখানে আমাদের বেশিরভাগ কর্মীই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া।’

কাকতালীয়ভাবে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন নারী ও শিশু অধিদপ্তরের সচিব এবং সব শাখা পরিচালক নারী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ