প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “আমি দিলাম আলোচনার ডাক আর তিনি দিলেন হরতাল।” তিনি বলেন, “হরতালে নিহতদের লাশের দায়িত্ব বিরোধীদলের নেতাকে নিতে হবে।” বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর অদূরে কেরানীগঞ্জের
সোমবারের মধ্যে মহাজোট সরকারের সকল মন্ত্রী পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ
বিএনপির দলীয় চিফ হুইফ জয়নাল আবদীন ফারুক বলেছেন, “আওমীলীগ তিনটি নামে ভয় পায়। নাম তিনটি হল, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া।” বৃহস্পতিবার বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত বিপ্লব ও
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর জানিয়েছেন, হরতালে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে আইন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জাতীয় প্রেসক্লাব ভিআইপি লাউঞ্জে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত ‘জাতীয় চার নেতার ৩৮তম শাহাদাৎ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর বিএনপি আয়োজিত সমাবেশ বক্তব্য দিচ্ছেন নেতারা। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নাসির হোসেন সমাবেশে প্রথম বক্তব্য দেন।
আগামী ৯ নভেম্বর মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণার জন্য মৌলভীবাজারের বড়লেখা ডিগ্রি
বিএনপির স্থায়ী কমিটি বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় দলের চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে বৈঠকে বসছে। বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার এ তথ্য জানান। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পরবর্তী
আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, নতুন করে আর সংলাপের প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, “দুই নেত্রীর ফোনালাপের মাধ্যমে সংলাপ হয়ে গেছে। আমাদের নেত্রী বলেছেন সবর্দলীয় সরকারের
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, “সমঝোতার সুযোগ এখনো ফুরিয়ে যায়নি। রাজনৈতিক অহমিকা না দেখিয়ে খোলামনে আলোচনায় আসুন। সরকার সবসময় বিরোধী দলের সাথে আলোচনার জন্য প্রস্তুত আছে।” বৃহস্পতিবার
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন “৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আমরা এই সরকারকে নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্ববধায়কের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করবো।” ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার