ভারতের মিসাইল হামলার জবাবে দেশটির পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার কথা আগেই জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। তবে ভারতের পক্ষ থেকে এই দাবি নিশ্চিত করা হয়নি। অবশ্য স্থানীয় সরকারের বেশ কয়েকটি সূত্রের
পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’ হামলাকে ‘আগুন নিয়ে খেলছে ভারত’ বলে অভিহিত করেছেন। ভারতের হামলাকে তিনি ‘অপ্ররোচিত, অপ্রমাণিত ও
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘর্ষের ফলে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের সেনা ও বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্যসহ ৩৪ জন নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। বুধবার (৭ মে) দুপুরে
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও বাণিজ্য যুদ্ধ নিরসনের পদক্ষেপ হিসেবে আগামী শনিবার (১০ মে) সুইজারল্যান্ডে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট
মধ্যরাতে পাকিস্তানে চালানো ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পাকিস্তানের আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী। তিনি আরো জানান,
ভারতের দুটি বিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাতে পাকিস্তানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিশোধ হিসেবে বিমানগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ‘যুদ্ধের পদক্ষেপ’ উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে এক প্রতিবেদনে
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ডে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অ্যাখ্যায়িত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত মধ্যরাতে পাকিস্তানে ভারত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ
মধ্যরাতে পাকিস্তান ও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। ভারতের এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং ৩৫ জন আহত হয়েছেন। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ২০২৪ সাল ছিল রাশিয়ার জন্য সবচেয়ে রক্তাক্ত বছর। ওই বছর অন্তত ৪৫ হাজার ২৮৭ জন রুশ সেনা নিহত হয়েছেন, যেটা আগের বছরের চেয়ে প্রায় তিন