হজ সামার্থ্যবান মুসলমানদের অবশ্য পালনীয় ইবাদত। এ ইবাদত পালনে তাকওয়া হল আসল পাথেয়। হজের মাধ্যমে মুমিনরা আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায়। এ সুযোগ যারা পায় তারা সত্যিকার অর্থে সৌভাগ্যবান। আল্লাহ
ইসলাম সর্বক্ষেত্রে শৃঙ্খলা মেনে চলার শিক্ষা দেয়। ইসলামী সমাজের সর্বত্রই শৃঙ্খলা বজায় থাকবে, এমনটিই কাঙ্ক্ষিত। যে কারণে পারস্পরিক সংঘাত ও বিদ্রোহের বিরুদ্ধে ইসলামী বিধান অত্যন্ত কঠোর। যারা এ ধরনের অপকর্মে
দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে যাকে অভিহিত করা হয় তিনি হলেন আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। আল্লাহ স্বয়ং নিজে রাসূলুল্লাহ (সা.) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনের সূরা আল কালামের ৪ নম্বর
নাকৌলা বাসেলি নাকৌলা নামের অখ্যাত এক মিশরীয় বংশোদ্ভূত কপটিক খ্রিস্টান মহানবী হযরত মুহম্মদ (স.) কে অতি মাত্রায় কটাক্ষ ও ব্যঙ্গ করে ‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ নামের তথাকথিত মানহীন কুৎসিত যে চলচ্চিত্র
হজ ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। প্রত্যেক সুস্থ এবং সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য একবার হজ করা ফরজ। এই হজের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনের অনেক জায়গায় বলা হয়েছে। অনেক সম্পদশালী ব্যক্তি আছেন যাদের
শুরু করিতেছি আল্লাহ্র নামে যিনি পরম করুনাময়, অতি দয়ালু। বিশ্বাস রাখেন রাসুল সেই বিষয়ের প্রতি যাহা তাঁহার প্রতি নাযিল করা হইয়াছে তাঁহার প্রভুর পক্ষ হইতে আর মমিনগনও; সকলেই বিশ্বাস রাখে
আরব জগতে পরিবর্তনের হাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, কোন ধরণের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে দেশগুলোতে? গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আপাতত তিউনিসিয়ার নাহদা এবং মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুডের ওপর সবার দৃষ্টি৷ আরব বিশ্বে অনেক