1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিমপুর কারাগারে ১২ আসনের ইলেকট্রিক কার্ট দিল মধুমতি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও ট্রেডউইন্ডের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান অসুস্থতা কাটিয়ে কনের সাজে হাজির প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রা বিলম্ব বিশ্ব স্ট্রোক দিবসে এভারকেয়ার চট্টগ্রামে পেশেন্ট ফোরাম ও সচেতনতামূলক র‍্যালি ঢাকা দক্ষিণের সাবেক কাউন্সিলর সাঈদের ৭ বছরের কারাদণ্ড রাজশাহীতে বাড়ির ছাদে কৃষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

স্কিম কমিটির সুপারিশ সর্বস্বান্ত বিনিয়োগকারীরাও ক্ষতিপূরণ পাবেন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১২
  • ২২৮ Time View

পুঁজিবাজার ধসে যেসব বিনিয়োগকারী সর্বস্বান্ত হয়ে বাজার থেকে বের হয়ে গেছেন তাদেরও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে সুপারিশ করেছে গঠিত স্কিম কমিটি। স্কিম কমিটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, স্কিম কমিটি ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল ‍পর্যন্ত অর্থাৎ বিগত ৩ বছরে যারা বিনিয়োগ ও মার্জিন লোন নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি এ সময়ের মধ্যে যারা পুঁজি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে বাজার থেকে বের হয়ে গেছেন তাদের ক্ষতির ব্যাপারেও সুপারিশ করেছে বিশেষ স্কিম কমিটি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কমিটির আহবায়ক ও আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামান বলেন, ‘আমরা সকলের বিষয়েই কাজ করে যাচ্ছি। তবে এসব বিষয়ে এখন কিছু বলা যাবে না। সময় হলে সব কিছু জানবেন।’

এদিকে স্কিম কমিটির একাধিক সদস্য বলেন, ‘আমরা এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছি। আশা করছি সুপারিশে বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।’

পুঁজি হারানো বিনিয়োগকারীদের দাবি তাদের বিষয়টি যেন সরকার গুরুত্ব দেয়। এরকম এক বিনিয়োগকারী সাইফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘আমার অ্যাকাউন্টে ৫ লাখ টাকা ছিল। এই টাকা দিয়ে প্রতি মাসেই আমার ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা আসতো। যা দিয়ে আমার সংসার চলতো। ২০১০ সালে ধস দেখা দিলে ৬ মাসে চালান ভেঙ্গে খেয়েছি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আর মহা ধসে আমার আরো ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নাই হয়ে গেছে এবং বাকি ১ লাখ টাকা নিয়ে বাঁচার তাগিদে বাজার থেকে বের হয়ে গেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। জীবন-যাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই সরকারের উচিত হবে আমার মতো সর্বশান্ত সকল বিনিয়োগকারীর বিষয়টি বিবেচনা করা।

উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর সরকারের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে বিশেষ স্কিম প্রণয়নের লক্ষ্যে ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে কমিটির কাজের সুবিধার্থে একজন সদস্য বাড়ানো হয়।

কমিটির আহ্বায়ক আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ফায়েকুজ্জামান। অন্য সদস্যরা হলেন- অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগের উপ-সচিব মো. নেওয়াজ হোসেন চৌধুরী, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশের (সিডিবিএল) প্রধান নিবাহী কমকর্তা ড. এম এ সালাম, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান নির্বাহী কমকর্তা ড. এম মোশারফ হোসেন, ডিএসইর প্রধান অর্থ কর্মকতা শুভ্র কান্তি চৌধুরী, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের(সিএসই) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সৈয়দ সাজিদ হোসেন, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি)নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ