1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ৩ বছর পেছাল পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়? সরকারি কর্মীদের বাড়তি বেতন রোববার, চুক্তিভিত্তিক চাকুরেদের হিসাব কী? ইস্ট ওয়েস্টে সেমিনার: সিনিয়রদের মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের ফাইনালসে বাংলাদেশ ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, অর্থনীতি পড়তে পারে নদীতে: মাহবুব উল্লাহ মেঘনায় জেলে নিহত: গুলির অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের রংপুরের মহাসড়কে বৃষ্টির মধ্যে উল্টে গেল যাত্রীভর্তি বাস, বহু হতাহত সিলেট ডেটা সেন্টারে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করল গ্রামীণফোন

সালমান রুশদি বেঁচে যাবেন, ভাবেননি হামলাকারী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২
  • ৫১ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গত সপ্তাহে হামলার শিকার হয়েছেন ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি। নিউ জার্সিতে বেড়ে ওঠা হাদি মাতার নামে এক তরুণ তাকে ছুরি দিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। যদিও এরই মধ্যে হাদি মাতার গ্রেফতার হয়েছেন। এ বিষয়ে কারাগার থেকে নিউইয়র্ক পোস্টকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন হামলাকারী।

হাদি মাতার বলেন, হামলার পর যখন জানতে পারলাম তিনি (সালমান রুশদি) বেঁচে আছেন তখন হতবাক হয়েছি। তাছাড়া খামেনিকে (ইরানের সর্বোচ্চ নেতা) শ্রদ্ধা করার কথাও জানান তিনি।

হামলাকারী বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনিকে আমি শ্রদ্ধা করি। আমি মনে করি সে একজন মহান ব্যক্তি। রুশদির বিতর্কিত বইটির মাত্র দুইটি পৃষ্ঠা পড়ার কথাও জানান হাদি।

হাদি বলেছেন, খামেনির দেওয়া কোনো ফতোয়া হামলা করতে তাকে প্ররোচিত করেনি। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই।

সালমান রুশদি বেঁচে যাবেন, ভাবেননি হামলাকারী

তিনি রুশদি সম্পর্কে বলেন, তাকে আমি খুব বেশি পছন্দ করি না। তিনি ইসলামের ওপর হামলা করেছেন। তিনি মুসলিমদের বিশ্বাসে আঘাত করেছেন।

১৯৮৮ সালে প্রকাশিত রুশদির চতুর্থ বই স্যাটানিক ভার্সেস হলো সবচেয়ে বিতর্কিত কাজ যা তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজিরবিহীন বিপদে ফেলে দেয়।

বইটি প্রকাশের পর হত্যার হুমকি আসে, যা তাকে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য করে। ব্রিটিশ সরকার তখন তাকে নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসে।

১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি রুশদির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে ফতোয়া জারি করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ