1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
২০২৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্য বিওয়াইডি গাড়ি কিনতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে মিডল্যান্ড ব্যাংক অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘অর্ণব’, বাংলাদেশে কেমন প্রভাব পড়বে? রাতের মধ্যে দেশের যে ৬ জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস ‘ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের’ মুশফিক-লিটনকে নিয়ে শঙ্কার পর স্বস্তি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নয়, শান্তর চোখ এখন কেবল মিরপুর টেস্টে জাপানের কিংবদন্তি মাঙ্গা শিল্পী তেৎসুয়া চিবা মারা গেছেন অভিষেক-সূর্যবংশীর তাণ্ডবে পাওয়ার প্লেতে বিশ্বরেকর্ড, ভারতের তিনে তিন সৌদিয়ার ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট চালু হতে পারে বুধবার

সর্বোচ্চ মূসক দাতাদের সম্মাননা দিলো এনবিআর

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১২
  • ১২০ Time View

সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) পরিশোধ করায় ১৩৪ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠান জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ মূসক পরিশোধকারী হিসেবে সম্মাননা পেয়েছে। আর ১২৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পেয়েছে জেলা পর্যায়ে সর্বোচ্চ মূসক দাতা হিসেবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত ৯ প্রতিষ্ঠান এবং বৃহত্তর ঢাকা বিভাগের ২৭ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। বাকিরা জেলা পর্যায় থেকে সম্মাননা পাচ্ছেন।

সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত মত বিনিয়ম সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, এফবিসিসিআই সভাপতি একে আজাদ। এনবিআর সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহান আরা সিদ্দিকী এতে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে এনবিআর সদস্য মো. ফরিদ উদ্দিন বাংলাদেশে মূসক ব্যবস্থার তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক মানদণ্ডে এর সীমাবদ্ধতা ও তা উত্তরণের উপায় শীর্ষক প্রবন্ধ তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “রাজস্ব আহরণকারী এবং দাতাদের মধ্যে মেলবন্ধন গড়ে তুলতে হবে। করদাতাদের একটি খাতায় আসতে হবে। প্রস্তাবিত মূসক আইনে যে প্রবিধান রাখা হয়েছে, তাতে ২০১৫ সালের মধ্যে এটি সম্ভব হবে।”

তিনি এ সময় অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ দু’এক বছরের মধ্যে ২০ শতাংশে গিয়ে পৌঁছাবে বলে জানান। তিনি বলেন, “জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, রাস্তাঘাট সুবিধা নিশ্চিত করতে আমাদের মূসক গুরুত্বপূর্ণ।”

অর্থমন্ত্রী বলেন, “এক সময় বহির্বাণিজ্য এবং আবগারি শুল্ক রাজস্ব আদায়ের প্রধান খাত ছিলো। কিন্তু তা এখন পাল্টে যাচ্ছে। এক সময় হয়তো এসব খাতে রাজস্ব থাকবে না।”

মূসক আইন নিয়ে প্রয়োজনে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আরো আলোচনা করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রিসভায় যখন মূসক আইন পাস হয় তখনই কিছু বির্তকিত বিষয় নজরে এসেছে। এগুলো দূর করা হবে।”

এ সময় মসিউর রহমান মূসক আইন নিয়ে আরো আলোচনার দরকার বলে মন্তব্য করেন।

একে আজাদ বলেন, “প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আরো আলোচনা করা দরকার।” তিনি এ সময় সর্বোচ্চ মূসক দাতাদের সম্মানীত করার পাশাপাশি এনবিআরের সৎ কর্মকর্তাদের সম্মাননা দেওয়ার প্রস্তাব করেন।

জাতীয় পর্যায়ে সেবার মূসক প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে অলিম্পিক বিস্কুট লিমিটেড, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড, তিতাস গ্যাস ফিল্ড, কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ড, ট্রান্সকম বেভারেজ, উত্তরা মোটরস, এএসপি বেভারেজ, ডিএইচএল এক্সপ্রেস, রশিদপুর কনডেন্স মিল্ক লিমিটেড। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ