1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিদেশি সিনেমা এলেই কি হলগুলো বাঁচবে স্পেনের ফুটবলে নতুন ইতিহাস, তৃতীয়বার ব্যালন ডি’অর জিতলেন আলেক্সিয়া আসামে হোটেলে গোলাগুলি, নিহত ৫ জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে তারেক রহমান মহাপরিকল্পনা নিয়ে হতাশা কাটছে না তিস্তাপাড়ের মানুষের যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি ব্যাংকে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ কমাতে যে ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি করার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বিগ-বি’ উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় জাপান ও বাংলাদেশের বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক চলছে

মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির বয়সসীমা বাড়লো আরো এক বছর

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১২
  • ২০৪ Time View

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা আরো এক বছর বাড়লো। এর আগে দুই বছর বাড়িয়ে ৫৯ বছর করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার আরো এক বছর বাড়িয়ে ৬০ বছর  করার ঘোষণা দিলেন।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বুধবার স্বাধীনতা যুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের জন্য এক সংবর্ধনায় এ ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীামা ৫৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫৯ বছর করেছিলাম। গতকাল মঙ্গলবার আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাদের চাকরির বয়সসীমা আরো এক বছর বাড়িয়ে ৬০ বছর করে দিয়েছি।

এর আগে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির কারণে আওয়ামী লীগ সরকার গত বছর ডিসেম্বরে সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়িয়ে ৫৯ বছর করে। এর পর অন্য কর্মচারীদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের বয়সসীমার পার্থক্য ঘুচে যায় এবং তখন থেকেই মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি করে আসছিলেন।

এ বিষয়ে একটি রিট আবেদন হলে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির বয়সসীমাও কেন অন্য কর্মচারীদের সঙ্গে একই অনুপাতে বাড়ানো হবে না- তা জানতে চাওয়া হয় ওই রুলে।

এর আগে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটি মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের জন্য আমরা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বাস্তবায়ন করেছি। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতার পরিমাণ ও ভাতাভোগীদের সংখ্যা বাড়িয়েছি।

তিনি বলেন, ২০০৯-১০ অর্থবছরে এক লাখ ২৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে মাসিক  দেড় হাজার টাকা হারে সম্মানী ভাতা দেয়া হতো। এ ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে প্রতিমাসে দুই হাজার টাকা এবং ভাতাভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে দেড় লাখে উন্নীত করা হয়েছে।

এছাড়া বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের মাসিক ভাতা ১১ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪ হাজার ৪০০ টাকা করা হয়েছে এবং দুই হাজার ৫০০ শহীদ পরিবারের ভাতা ৫ হাজার ৮৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাত হাজার ২০ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ