সম্প্রতি আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ও ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে ব্যর্থতার পর বাংলাদেশের সাদা ও লাল বলের দলের অধিনায়ক, প্রধান কোচসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে লম্বা বৈঠক করেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
মাঠের এক প্রান্তে যখন ট্রফি উন্মোচনের আয়োজনের তোড়জোড় চলছিল, মাঠের মাঝে তখন চলছিল মিনি বৈঠক। উইকেটের পাশে দাঁড়িয়ে লম্বা সময় কথা বললেন বাংলাদেশ দলের কোচ, অধিনায়ক, তিন নির্বাচক ও কিউরেটর মিলে। সেই আলোচনা হয়তো ছিল উইকেটের আচরণ ও সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে। তবে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক দিন দুয়েক আগেই হয়ে গেছে মিরপুরে।
এরকম প্রকাশ নয়, সেটি ছিল রুদ্ধদ্বার বৈঠক। বাংলাদেশের সাদা ও লাল বলের অধিনায়ক লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত, প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, ভারপ্রাপ্ত ব্যাটিং কোচ মোহাম্মাদ সালাহ উদ্দীন, অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমসহ জাতীয় দল ও পারফরম্যান্স সংক্রান্ত বোর্ডের বিভিন্ন বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকটি করেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
সেই বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়ে ক্রিকেট আঙিনায় কৌতূহল ছিল বেশ। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে জয়ের দুয়ার থেকেও হতাশাজনক ড্র করা ও পরে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সের কারণেই এমন জরুরি বৈঠক কি না, সেই আলোচনাও চলছিল।
নাজমুল হোসেন শান্ত অবশ্য এই সভাকে বিশেষ কিছু বলতে চাইলেন না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট শুরুর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক বললেন, বোর্ড প্রধানের সঙ্গে তার বা তাদের নিয়মিত আলোচনারই অংশ ছিল এই সভা।
“আমাদের মধ্যে সবসময় সাধারণত অনেক কথাবার্তা হয়। যখন মিটিং হয় বা আমরা ক্যাজুয়ালিও অনেক সময় কথা বলি কীভাবে আমাদের ক্রিকেট আরও উন্নত করতে পারি, কোন কোন জায়গায় আমাদের ঘাটতি আছে, ক্রিকেটারদের কী কী প্রয়োজন, ক্রিকেট বোর্ড আরেকটু কীভাবে সহায়তা করতে পারে বা ক্রিকেটারদের কী কী চাওয়া আছে। সবসময় খুব ‘হেলদি ডিসকাশন’ হয়, কিভাবে আমরা বেটার কিছু করতে পারি। এই ধরনের আলাপ-আলোচনাই হয়েছে।”
সভায় বেশ খোলামেলা আলোচনা হয়েছে বলে জানালেন টেস্ট অধিনায়ক। জরুরি প্রয়োজনে এই বৈঠক না হলেও এই ধরনের উন্মুক্ত আলোচনাকে জরুরি মনে করেন তিনি।
“আমি বলব যে, এই ধরনের ওপেন ডিসকাশন হওয়াটা জরুরি। দুই জায়গা থেকে সবাই যখন সবকিছু জানব, তখন আসলে কাজগুলো সহজ হয়ে যায় যে আসলে আমরা কী চাই এবং আমরা কী করলে উন্নতি করতে পারব।
“যেটা বললাম, (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট, আই মিন ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারদের মধ্যে একটা ওপেন ডিসকাশন হয়েছে, আসলে আমরা আসলে কী চাই বা ক্রিকেট বোর্ড আমাদেরকে আসলে কী কী দিয়ে সহায়তা করতে পারে, এ ধরনের আলাপ আলোচনা হয়েছে।”
ইউরোপের সংকট: অভিবাসন নয়, মূলে জীবনযাত্রার দুর্দশা
কবরের অপেক্ষায় মুক্তিযোদ্ধার লাশ ও আমাদের লজ্জা
জাপান চুক্তি ও বিগ-বি: আগামীর শিল্প সম্ভাবনা