1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিলুপ্ত ফুটি কার্পাস পুনরুদ্ধার, ১৭০ বছর পর বিশ্ববাজারে ফিরছে ঢাকাই মসলিন বিপিজেএ খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত আরও এক বছর অর্থ সচিব থাকছেন খায়েরুজ্জামান সাভারে যমুনা ব্যাংকের উপশাখা উদ্বোধন বাংলাদেশ-স্পেন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারে গুরুত্ব আরোপ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর চিত্রনাট্যে ছিল না, কিন্তু সাহসী দৃশ্যে রাজি ছিলেন রেখা-অক্ষয় নেতানিয়াহুর থাকা না থাকায় বিশ্বে কী প্রভাব পড়বে? আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা শুরু ২৯ অক্টোবর, থাকবে ২০টির বেশি দেশ ভারতের কাছে এবার ১৩ গোল হজম করল বাংলাদেশ সরকারি ব্যাংকের মধ্যে প্রথম মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

বাংলাদেশে স্বল্পশিক্ষিতরা বেশি কাজ পান

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৫
  • ১৮৬ Time View

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষিত যুবক-যুবতীদের মধ্যে বেকার বেশি। প্রাথমিক বা এর নিম্নস্তরের awtdgyausশিক্ষা নিয়েছেন এমন তরুণসমাজের মধ্যে বেকারত্ব সবচেয়ে কম। প্রতি এক শ জন উচ্চশিক্ষিত যুবক-যুবতীর মধ্যে বেকারত্বের হার ২৬ দশমিক ১ শতাংশ। মাধ্যমিক শিক্ষায় শিক্ষিতদের মধ্যে ১২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং প্রাথমিক বা এর কম শিক্ষিতদের ৫ শতাংশের কিছু বেশি বেকার আছেন। এর মানে হলো স্বল্পশিক্ষিত তরুণ-তরুণীরাই এ দেশে বেশি কাজ পান। এটি হলো বাংলাদেশের যুবসমাজের বেকারত্বের চিত্র।
তবে সুখবর হলো সারা বিশ্বে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে যে হারে বেকারত্ব রয়েছে, বাংলাদেশের এর চেয়ে কম। বাংলাদেশি যুবশক্তির সর্বোচ্চ ১১ শতাংশ বেকার। সারা বিশ্বে এ হার ১৩ শতাংশের বেশি।
সম্প্রতি প্রকাশিত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বিশ্ব যুব কর্মসংস্থান প্রবণতা, ২০১৫ (গ্লোবাল এমপ্লয়মেন্ট ট্রেন্ডস ফর ইয়ুথ) শিরোনামের প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।
আইএলও বলছে, এ যুবশক্তিই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। যুবশক্তিকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে—এমন ২৮টি দেশের একটি তালিকা দিয়েছে আইএলও। সেই তালিকায় বাংলাদেশ আছে। এ দেশগুলোর জন্য আইএলও পাঁচ বছরের জন্য প্রায় দেড় শ কোটি ডলারের কর্মসূচি নিয়েছে। আগামী বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে এ কর্মসূচি শুরু হবে। যুব কর্মসংস্থান একদিকে বাংলাদেশসহ এসব দেশের জন্য চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে সম্ভাবনা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। এ তালিকায় এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, নেপাল ও সামোয়া—এ ছয়টি দেশ রয়েছে। এ ছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোতে (এসডিজি) যুবশক্তির কর্মসংস্থানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে আইএলওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

স্কুল টু ওয়ার্ক ট্রানজিশন সার্ভিসকে (এসডব্লিউটিএস) ভিত্তি ধরে এ প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে আইএলও। এসডব্লিউটিএসে মোট ২৮টি দেশের ওপর সমীক্ষা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক রুশিদান ইসলাম রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী যুবশক্তির কর্মসংস্থানে শ্রমঘন শিল্প ও সেবা খাতের দ্রুত উন্নয়ন করতে হবে। শিক্ষিত যুবশক্তিকে কাজে লাগাতে শিক্ষিত, শ্রমভিত্তিক খাত যেমন তথ্যপ্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। আর স্বল্পশিক্ষিতদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে এ প্রশিক্ষণ দিতে হবে চাহিদার দিকে লক্ষ রেখে, তা না হলে সম্পদের অপচয় হবে। তিনি মনে করেন, নারী যুবশক্তিকে কাজে লাগাতে গ্রামীণ ও জেলা শহরের কাজের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ ছাড়া তাঁদের সন্তানদের জন্য দিবাযত্ন কেন্দ্র করতে হবে।

বাংলাদেশের কিশোর-কিশোরীরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে। আইএলওর প্রতিবেদনে ১৫-১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত আছে এমন শীর্ষ নয়টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। এ দেশের কিশোর-কিশোরীদের ১৬ দশমিক ৭ শতাংশই ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত আছে। ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত থাকার কারণে তারা প্রায়ই শারীরিক অসুস্থতা ও দুর্ঘটনার শিকার হয়।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কাজে থাকে ভিয়েতনামের কিশোরেরা। সেখানে এ হার ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। এ তালিকায় আরও আছে টোগো, ব্রাজিল, উগান্ডা, রাশিয়া, কিরগিজস্তান ও জ্যামাইকা।

আইএলওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে কর্মরত তরুণদের মধ্যে ৪৩ শতাংশই ঝুঁকিপূর্ণ বা অনিশ্চিত কর্মসংস্থানে নিয়োজিত আছেন। আর তরুণীদের মধ্যে এ হার ৪১ দশমিক ৭ শতাংশ। তাঁদের বেশির ভাগই গৃহস্থালির কাজে সহায়তা করেন, কিন্তু স্থায়ী কোনো কাজ করেন না। তাই তাঁদের এ ধরনের কর্মসংস্থানকে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়েছে। এ হিসাবে ইউরোপের তরুণ-তরুণীরা অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেন। আর আফ্রিকার যুবসমাজের মধ্যে এ ধরনের কাজ করার প্রবণতা বেশি।

২৫-২৯ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীরা কর্মজগতে প্রবেশ করে তাঁদের কাজ নিয়ে সন্তুষ্ট কি না, এমন ২৫টি দেশের মধ্যে তুলনা করা হয়েছে আইএলওর প্রতিবেদনে। সেখানে দেখা গেছে, বাংলাদেশের এ বয়সী প্রায় ৭০ শতাংশ তরুণ-তরুণীই স্থায়ী কিংবা সন্তোষজনক কাজ করেন। আইএলওর তালিকায় থাকা ২৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। বাংলাদেশের সামনে রয়েছে রাশিয়া, ভিয়েতনাম, মাদাগাস্কার ও ইউক্রেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা বিশ্বের ২০ কোটি ১৬ লাখ বেকারের মধ্যে মধ্যে ৭ কোটি ৩৪ লাখই তরুণ-তরুণী।

আইএলওর বিশ্ব যুব কর্মসংস্থান প্রবণতা ২০১৫ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের চিত্র

উচ্চশিক্ষিত তরুণ তরুণীদের ২৬.১% বেকার

যুবশক্তির ১১% বেকার

যুবসমাজই দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিয়ে যাবে, এমন ২৮ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

১৫-১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ১৬.৭% ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত

৪৩% যুবক ও ৪১% যুবতী স্থায়ী কাজ করেন না

সারা বিশ্বে যুব বেকারের হার

১৩.১%

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ