1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টিমওয়ার্কই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: পার্বত্যমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৪ Time View

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যে ভিশন নিয়ে দেশ পরিচালনা করছেন, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে একজন কর্মী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখতে চাই। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি, সংহতি ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার, রাজনৈতিক দল, আঞ্চলিক সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

রবিবার সচিবালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কার্যদিবসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

মতবিনিময়কালে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর কাজ শুরু করেছি। সময়ই বলে দেবে কীভাবে বিভিন্ন বিষয়কে সমাধানের দিকে নেওয়া যায়। তবে সবকিছু রাষ্ট্রের কাঠামো, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় পতাকাকে সামনে রেখে সম্মিলিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের দায়িত্বকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টিমওয়ার্কই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সাচিং প্রু জেরী বলেন, বৃহত্তর পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা কোনো ব্যক্তি, দল বা একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। পাহাড়ে বসবাসকারী সব জাতিসত্তা, জাতীয় ও আঞ্চলিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, বিভিন্ন সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গণমাধ্যমকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় নির্দেশনার প্রতি সম্মান রেখে সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

সাচিং প্রু জেরী বলেন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর সমানুভূতি, চিন্তাধারা ও উপলব্ধির জায়গা থেকে পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ মনোযোগ থাকা প্রয়োজন।
একইসঙ্গে পাহাড়ের জনগোষ্ঠীকেও দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থা রেখে কাজ করতে হবে।

গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও বিশ্লেষণের প্রভাব শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেও পড়ে। তাই পাহাড়ের যেকোনো পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তুলে ধরতে হবে। ইতিবাচকভাবে বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হলে পার্বত্য অঞ্চলের বিষয়ে দেশ-বিদেশে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘পিস’ বা শান্তি অত্যন্ত পবিত্র একটি শব্দ। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও উদ্যোগের মাধ্যমেই পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

এর আগে রবিবার সকাল ৯টার পর সচিবালয়ে এসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী। পরে বেলা ১১টায় মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এসময় ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ