1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিমপুর কারাগারে ১২ আসনের ইলেকট্রিক কার্ট দিল মধুমতি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও ট্রেডউইন্ডের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান অসুস্থতা কাটিয়ে কনের সাজে হাজির প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রা বিলম্ব বিশ্ব স্ট্রোক দিবসে এভারকেয়ার চট্টগ্রামে পেশেন্ট ফোরাম ও সচেতনতামূলক র‍্যালি ঢাকা দক্ষিণের সাবেক কাউন্সিলর সাঈদের ৭ বছরের কারাদণ্ড রাজশাহীতে বাড়ির ছাদে কৃষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

তিন দিন পর শান্ত নয়াপল্টন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১২
  • ১৬০ Time View

স্বাভাবিক হয়ে এসেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিস। আদালতে জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতেই নয়াপল্টনের অফিস ছেড়েছেন অবরুদ্ধ নেতা-কর্মীরা।

শুক্রবার সকালে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান শাহীনা আকতার কাননের বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানও হয়েছে সেখানে। তবে ভয় কাটেনি বিএনপি নেতা-কর্মীদের। এখনো পার্টি অফিসে খুব কম নেতা-কর্মীই আসা-যাওয়া করছেন।

শুক্রবার সরেজমিনে দেখা গেছে, আগের দিনের চেয়ে অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ কমে গেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা। সাদা পোশাকের গোয়েন্দা ও পুলিশের সংখ্যা নেহায়েতই হাতে গোনা। অফিসের গেট আগলে বসে থাকা পুলিশও সরে গেছে দূরে।

আশপাশে সীমিত পুলিশের অবস্থান থাকলেও ঢিলেঢালা সময় কাটতে দেখা গেছে তাদের। কোন রায়ট কার বা জলকামানও চোখে পড়েনি। পুলিশের একটি গাড়িতে কেবল উদ্দেশ্যহীন চলতে দেখা গেছে।

তবে এদিনই সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার দলের নেতা-কর্মীরা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসতে ভয় পাচ্ছে বলে দাবি করেছেন।

বস্তুত গত মঙ্গলবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর পর থেকেই শতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। ওই রাতেই পল্টন থানায় দায়ের করা দুই মামলায় যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সেক্রেটারি সাইফুল আলম নিরব, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সেক্রেটারি সরাফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারি বাবু, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিজুল বারি হেলাল, ছাত্রদল সভাপতি আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল প্রমুখ পার্টি অফিসে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

বুধবার সকালে আলাল পার্টি অফিস থেকে বের হওয়ার সময় গ্রেফতার হলে ভেতরে অবরুদ্ধ নেতাকর্মীরা আর বের হওয়ার উদ্যোগ নেননি।

মঙ্গলবারের মামলার আসামি না হলেও তাদের সঙ্গে দলের কেন্দ্রী দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীও থেকে যান পার্টি অফিসে।

বুধবার সন্ধ্যায় আড়াই ঘণ্টার জন্য বেরিয়ে ফের পার্টি অফিসে ফিরে যান তিনি।

বৃহস্পতিবার আদালতে ওই মামলার জামিন মঞ্জুর হলে রাতেই পার্টি অফিস ত্যাগ করেন তারা।

আজ শুক্রবার পার্টি অফিসে আর আগের তিন দিনের উত্তেজনা দেখা যায়নি। এমনকি সকালে এক যোগদান অনুষ্ঠানও হয় পার্টি অফিসে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাতে বক্তৃতাও করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ