1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ : আগামী ৫ দিন বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে কফির দাওয়াত দিয়ে জয়া বললেন—‘বিলটা নিজের, সঙ্গটা আমার’ আনচেলত্তির দল ঘোষণা নিয়ে বার্সায় দুশ্চিন্তা, কারণ রাফিনিয়া একদিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানির দাম গ্যাবনকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন আইসিটি মন্ত্রী পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে আয়োজিত যুব মেলা স্থগিত করা হয়েছে : প্রতিমন্ত্রী নওগাঁর সাবেক এমপি ছলিম ও তার ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ব্যাংক ঋণে নজরদারির অভাব, বাড়ছে খেলাপি বৈদেশিক মুদ্রার সব নির্দেশনা ১ সার্কুলারে আনল বাংলাদেশ ব্যাংক

অভিযোগের শীর্ষে ব্র্যাক ব্যাংক

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৫
  • ১৮৬ Time View

338দেশে বিদ্যমান বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশি হয়রানি করছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। তাই বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে আর্থিক অনিয়ম, হয়রানির অভিযোগের শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। রোববার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৫ প্রকাশকালে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনটির মোড়ক উন্মোচন করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আর্থিক অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হয়ে গ্রাহকরা ই-মেইল, ফ্যাক্স, ওয়েবসাইট ও ডাকযোগে মোট তিন হাজার ৯৩০টি অভিযোগ করেছেন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৭৫টি অভিযোগ রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের বিরুদ্ধে।

অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। হয়রানির শিকার হয়ে গ্রাহকরা ১২৩টি অভিযোগ করেছেন ব্যাংটির বিরুদ্ধে। আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। ৭৯টি অভিযোগ রয়েছে ব্যাংটির বিরুদ্ধে। চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে ডাচ বাংলা ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সংখ্যা যথাক্রমে ৭০ ও ৫৯টি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিরুদ্ধে। যা মোট অভিযোগের ৫৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিরুদ্ধে পাঁচ দশমিক ৮৬ শতাংশ। বিশেষায়িত ব্যাংকের বিরুদ্ধে তিন দশমিক ৮২ শতাংশ এবং ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পাঁচ দশমিক ৮২ শতাংশ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্টর মহাব্যবস্থাপক এ কে এম আমজাত হোসেন। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী, কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি গোলাম রহমান এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের সভাপতি আলী রেজা ইফতেখারসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১১ সালের ১ এপ্রিল গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণ কেন্দ্র গঠন করে। পরে এর পরিধি বাড়তে থাকায় আরও বৃহৎ পরিসরে একে ঢেলে সাজিয়ে ২৫ জুলাই ২০১২ সালে গঠন করা হয় ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস বিভাগ (এফআইসিএসডি)।

ফ্যাক্স (০০৮৮-০২-৯৫৩০২৭৩), ই-মেইল (bb.cipc@bb.org.bd), এসএমএস এবং ১৬২৩৬ নাম্বারে ডায়াল করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যেকোনো অনিয়ম ও হয়রানির বিরুদ্ধে গ্রাহকরা অভিযোগ করতে পারেন। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য এ সেবা চালু করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ