অস্ট্রেলিয়া বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হারের পরই আজহার আলির অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এই পদ থেকে অবশ্য সরে দাঁড়ান আজহার। তার স্থলাভিষিক্ত হন সরফরাজ আহমেদ। ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকটা ভালো হলো না। শুরুটা হলো বিষাদের। তার নেতৃত্বে পাকিস্তান দল প্রথম ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে গেছে ৪ উইকেটের ব্যবধানে।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩০৮ রান তোলে পাকিস্তান। জবাবে ৪৯ ওভারেই (ছয় বল হাতে রেখে) ৬ উইকেট হারিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল ক্যারিবিয়রা।
৩০৯ রানের লক্ষ্য। খুব একটা সহজ নয়। কিন্তু এই লক্ষ্যও মামুলি বানিয়ে ফেলেছেন ক্যারিবিয় ব্যাটসম্যানরা। যদিও শুরুটা সুখকর ছিল না। ওপেনার চাদউইক ওয়ালটনকে হারিয়ে ফেলে দলীয় ২৩ রানের মাথায়। তবে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এভিন লুইস ব্যাট হাতে লড়াই করেছেন। থেমেছেন ৪৭ রানে।
তিনে ব্যাট করতে নামা কাইরন পাওয়েল ৬১ রান করে দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন। বাকি কাজটুকু সেরেছেন জেমন মোহাম্মদ ও অ্যাশলে নার্স। দুজনই দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। জেমন মোহাম্মদ ৫৮ বলে ১১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৯১* রান করেন। আর নার্স অপরাজিত ছিলেন ১৫ বলে ৩৪ রান করে।
পাকিস্তানের পক্ষে দুটি উইকেট নেন শাদাব খান। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ হাফিজ ও ওয়াহাব রিয়াজ।
এর আগে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে শুভসূচনা এনে দেন দুই ওপেনার। আহমেদ শেহজাদ ও কামরান আকমল মিলে উদ্বোধনী জুটিতে করেন ৮৫ রান। শেহজাদ ৬৭ আর কামরান করেন ৪৭ রান। সর্বোচ্চ ৮৮ রান আসে মোহাম্মদ হাফিজের ব্যাট থেকে। শোয়েব মালিক ৫৩ রান করেন। অধিনায়ক সরফরাজ অপরাজিত থাকেন ২০ রানে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ৪ উইকেট দখলে নিয়েছেন অলরাউন্ডার অ্যাশলে নার্স। বাকি উইকেটটি পকেটে পুরেছেন ক্যারিবিয় অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। ম্যাচ সেরা হয়েছেন জেসন মোহাম্মদ।