1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য বহুমুখীকরণে জোর বাংলাদেশের সোনালী আঁশে খরচ উঠছে না কৃষকের, ভরসা পাটখড়ি খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে হত্যা: মেসে নেই কেউ, কথা বলতে চান না এলাকাবাসী ইরান যুদ্ধের মাঝেও তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের পরোক্ষ ত্রাতা’র ভূমিকায় শি জিনপিং ভারপ্রাপ্ত চিফ প্রসিকিউটর আব্দুস সোবহান তরফদার ঢাকায় আসছেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৩১ বিলিয়ন ডলার স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তায় আলজেরিয়ার সহযোগিতা চায় ঢাকা বাংলাদেশ-কানাডার উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের আশা

১৩টি বছরই কাটল কেবল

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
  • ১৬৯ Time View

আদালতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হাজির না হওয়ায় ১৩ বছরেও শেষ হয়নি ড. হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার বিচার। জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরও তারা সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হচ্ছেন না। এ কারণে মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ করতে পারছে না রাষ্ট্রপক্ষ।

আলোচিত এই মামলাটি বর্তমানে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। মামলায় ৫৮ সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৩৮ জন সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী দুই ডাক্তারসহ ২০ জন বাকী রয়েছেন। তারা সাক্ষ্য দিলেই মামলার কার্যক্রম শেষ করবে রাষ্ট্রপক্ষ।

ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বশির উদ্দিন মিঞা জাগো নিউজকে বলেন, সাক্ষীর অভাবে মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ করতে পারছি না। জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরও সাক্ষীরা আদালতে হাজির হচ্ছে না। তারা সাক্ষ্য দিলেই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ করবো।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সামনে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন ড. হুমায়ুন আজাদ। তাকে চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনার পরদিন হুমায়ুন আজাদের ভাই মঞ্জুর কবির রমনা থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

ওই হামলার পর হুমায়ুন আজাদ ২২ দিন সিএমএইচে এবং ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসারত ছিলেন। পরে জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ১২ আগস্ট তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।

এ মামলায় জেএমবির শূরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক ও আনোয়ার আলম ওরফে ভাগিনা শহিদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- জেএমবির শূরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক, আনোয়ার আলম ওরফে ভাগিনা শহিদ, নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু (পলাতক) ও সালাহউদ্দিন (পলাতক)।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ