1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এবারের ঈদযাত্রায় ইতিহাসের জঘন্যতম অব্যবস্থাপনা: জামায়াত আমির মধ্যপ্রাচ্যে থাকা প্রবাসীদের নিরাপত্তায় কাজ করছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত প্রস্তুত ৬ দেশ ফিলিস্তিন চেয়েছিল নিষেধাজ্ঞা, ইসরায়েলকে জরিমানা করেই ছেড়ে দিল ফিফা ইসরায়েলের মন্ত্রণালয়ে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের ঈদের দিন দেশজুড়ে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস ‘ইরানি হামলায়’ মার্কিন যুদ্ধবিমানের জরুরি অবতরণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের খবর সঠিক নয় : প্রেস উইং

ভাইবার হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ হলে অন্য সংকেত যেতে পারে

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৫
  • ১৯৪ Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সাইবার অপরাধ বন্ধ করতে এবং সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের ধরতে প্রয়োজন হলে ভাইবার এবং হোয়াটসঅ্যাপের মত মোবাইল ফোন অ্যাপসগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে। ভাইবার বা হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ করা হলেই কি এ ধরনের অপরাধ তৎপরতা কমানো যাবে?image_142271_0

বাংলাদেশের একজন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেনকে এই প্রশ্ন করা হলে বিবিসি বাংলার শায়লা রুখসানাকে তিনি বলেছেন, অনেক সময় এসব মাধ্যমে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ হয়ে থাকে

কিন্তু এগুলো বন্ধ করলেই যে জঙ্গিবাদ বন্ধ হয়ে যাবে বা টেরররিজম বন্ধ হয়ে যাবে তেমন নজির কিন্তু নেই।
তিনি বলেন, “অনেক দেশেই এগুলো বন্ধ করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে পাকিস্তানের কথা যদি বলি, পাকিস্তানে ফেসবুক থেকে শুরু করে সবকিছুই সাসপেন্ডেড আছে। কিন্তু সেখানে কিন্তু এগুলো বন্ধ করা যায়নি। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত তারা কিন্তু বিভিন্ন ধরনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে থাকে”।

এছাড়া বিষয়টি দেশের বাইরে নেতিবাচক একটি বার্তা দিতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “এ পর্যন্ত আমরা বলেছি যে, আমাদের দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই। কিন্তু এখন ভাইবার বা হোয়াটস অ্যপ বন্ধ করা হলে এমন সংকেত যেতে পারে যে, উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন সংগঠন বাংলাদেশে কাজ করছে”।

এগুলো বন্ধ করা হলে সামাজিক যোগাযোগে সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলবে। কিন্তু যারা মোটিভেটেড হয়ে বিভিন্ন অপরাধ করছে তারা অন্য কোনও উপায় খুঁজে নেবে।

আর বাংলাদেশে যেসব ঘটনা বা হত্যাকাণ্ড ঘটছে তা যে সবসময় প্রযুক্তি ব্যবহার করেই ঘটছে তেমনটা মনে করেন না এই নিরাপত্তা বিশ্লেষক। তিনি বলেন, অনেকসময় সাংকেতিক ভাবে বা পত্র মারফত যোগাযোগ রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই ধরনের অপরাধীদের মোকাবেলায় বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে প্রযুক্তি বা দক্ষতা কতটা আছে জানতে চাইলে ‘সেটা খুবই অপ্রতুল’ বলে জানান সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, যেভাবে ঘটনাগুলো ঘটছে তার প্রেক্ষিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোটেই প্রস্তুত নন। তাদের তেমন প্রশিক্ষণও নেই।- বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ