1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপি গায়ের জোরে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে: নাহিদ ইসলাম ৭ শর্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা: কোন ইউনিটে কবে ইবিতে জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হৃদয়-মুশফিকের ব্যাটে স্বস্তি নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করল বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদী শক্তিকে মানুষ আর রাজনীতি করতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপি গণঅভ্যুত্থান ও গণভোটের রায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ রোনালদোর অর্জনের পুনরাবৃত্তি অসম্ভব: ইনফান্তিনো ব্যাংক ধসের জেরে প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনার পদত্যাগ বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু সাফ ফুটবল উৎসব

বিমান দুর্ঘটনার পরেও বেঁচে গেলেন মা ও ছেলে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০১৫
  • ১৫৯ Time View

biman kolombiyaএ যেন মৃত্যুর চোখে চোখ রেখে ফিরে আসা!

কলম্বিয়ার জঙ্গলের গভীরে দুই ইঞ্জিনের বিমানটি ধ্বংস হয়ে পড়ে ছিল বেশ কয়েক দিন। কিন্তু খোঁজ মিলছিল না সেই বিমানের যাত্রী এক মা ও শিশুর। উদ্ধারকারীরা জঙ্গল তন্ন তন্ন করে খুঁজছিলেন। অবশেষে প্রায় সুস্থ শরীরেই খোঁজ মিলল তাদের।

সূত্রের খবর, মারিয়া নেল্লি মুরিল্লো নামে ১৮ বছরের ওই তরুণী এবং তার এক বছরের ছেলেকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে জঙ্গলের গভীরে একটি নদীর ধারে। বিমান দুর্ঘটনায় মারিয়ার শরীরে কিছু আঘাত লাগলেও তার শিশুসন্তান সম্পূর্ণ নিরাপদেই আছে।

দিন কয়েক আগে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল লাগোয়া নুকুই শহর থেকে বিমানটি রওনা হয় চকো-র রাজধানী কুইবদোর দিকে। বিমানটি বোঝাই ছিল মাছ ও নারকেলে। রওনা দেওয়ার মিনিট কুড়ি পরেই বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় বিমানটির খোঁজে বের হয় উদ্ধারকারী দল। দিন দুই ধরে তল্লাশির পরে কলম্বিয়ার গভীর জঙ্গলে বিমানটির খোঁজ পাওয়া যায়। বিমানের ককপিটে চালক কোর্লো মারিওর মৃতদেহও খুঁজে পান তারা।

তার পর থেকেই শুরু হয়েছিল বিমানযাত্রী মা ও শিশুর খোঁজ। কলম্বিয়ার জঙ্গল ঢুঁড়ে তাদের খুঁজে পাওয়াটা যদিও খুব একটা সহজ ছিল না। তা ছাড়া, তারা আদৌ বেঁচে আছেন কি না, সেটা নিয়েও সন্দেহ ছিল। যদিও বিমানটির দরজা খোলা থাকায় দেখে তাদের বেঁচে থাকা নিয়ে আশা জেগেছিল।

মারিয়াকে খুঁজতে গিয়ে উদ্ধারকারীরা দেখেন যে, বিমানটির কাছে ছড়ানো রয়েছে নারকেলের খোলা। খুঁজতে খুঁজতে এক জায়গায় শিশুটির জন্মের শংসাপত্রও দেখতে পায় উদ্ধারকারী দল। তাদের খুঁজতে লাউডস্পিকারও ব্যবহার করে উদ্ধারকারী দল। অবশেষে দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় পাঁচশো মিটার দূরে নদীর ধার থেকে উদ্ধারকারী দল খুঁজে পায় মারিয়া আর তার শিশুপুত্রকে।

সাধে আর কলাম্বিয়া বিমান বাহিনীর প্রধান একে ‘মিরাকল’ বলেছেন!

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ