1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মাদক বিরোধে সহিংসতার বিস্ফোরণ, আহত ৬ পুলিশ বিরোধী দলকে রাজনীতি শেখার পরামর্শ সেতুমন্ত্রীর বিগত সরকার বিদ্যুতের ৪০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখে গেছে: অর্থমন্ত্রী হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিনমাস সহযোগিতা করবে সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সংসদে তোলার দাবি রুমিন ফারহানার ‘শুধু রাজধানী নয়, সারাদেশে নাগরিক সুবিধা পৌঁছানোর চেষ্টা করছে সরকার’ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন : রাশেদ খাঁন ফ্যামিলি কার্ডে ৩৭৮১৪ পরিবারের ‘নারী প্রধানকে’ টাকা দেওয়া হয়েছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী পূর্বের মত রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ট্রাম্প নিজেই হত্যাচেষ্টার নাটক সাজিয়েছেন! মার্কিন পদক্ষেপকে ‘সমুদ্রে দস্যুতা’ বলে আখ্যা দিল ইরান

বিমান দুর্ঘটনার পরেও বেঁচে গেলেন মা ও ছেলে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০১৫
  • ১৩৮ Time View

biman kolombiyaএ যেন মৃত্যুর চোখে চোখ রেখে ফিরে আসা!

কলম্বিয়ার জঙ্গলের গভীরে দুই ইঞ্জিনের বিমানটি ধ্বংস হয়ে পড়ে ছিল বেশ কয়েক দিন। কিন্তু খোঁজ মিলছিল না সেই বিমানের যাত্রী এক মা ও শিশুর। উদ্ধারকারীরা জঙ্গল তন্ন তন্ন করে খুঁজছিলেন। অবশেষে প্রায় সুস্থ শরীরেই খোঁজ মিলল তাদের।

সূত্রের খবর, মারিয়া নেল্লি মুরিল্লো নামে ১৮ বছরের ওই তরুণী এবং তার এক বছরের ছেলেকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে জঙ্গলের গভীরে একটি নদীর ধারে। বিমান দুর্ঘটনায় মারিয়ার শরীরে কিছু আঘাত লাগলেও তার শিশুসন্তান সম্পূর্ণ নিরাপদেই আছে।

দিন কয়েক আগে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল লাগোয়া নুকুই শহর থেকে বিমানটি রওনা হয় চকো-র রাজধানী কুইবদোর দিকে। বিমানটি বোঝাই ছিল মাছ ও নারকেলে। রওনা দেওয়ার মিনিট কুড়ি পরেই বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় বিমানটির খোঁজে বের হয় উদ্ধারকারী দল। দিন দুই ধরে তল্লাশির পরে কলম্বিয়ার গভীর জঙ্গলে বিমানটির খোঁজ পাওয়া যায়। বিমানের ককপিটে চালক কোর্লো মারিওর মৃতদেহও খুঁজে পান তারা।

তার পর থেকেই শুরু হয়েছিল বিমানযাত্রী মা ও শিশুর খোঁজ। কলম্বিয়ার জঙ্গল ঢুঁড়ে তাদের খুঁজে পাওয়াটা যদিও খুব একটা সহজ ছিল না। তা ছাড়া, তারা আদৌ বেঁচে আছেন কি না, সেটা নিয়েও সন্দেহ ছিল। যদিও বিমানটির দরজা খোলা থাকায় দেখে তাদের বেঁচে থাকা নিয়ে আশা জেগেছিল।

মারিয়াকে খুঁজতে গিয়ে উদ্ধারকারীরা দেখেন যে, বিমানটির কাছে ছড়ানো রয়েছে নারকেলের খোলা। খুঁজতে খুঁজতে এক জায়গায় শিশুটির জন্মের শংসাপত্রও দেখতে পায় উদ্ধারকারী দল। তাদের খুঁজতে লাউডস্পিকারও ব্যবহার করে উদ্ধারকারী দল। অবশেষে দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় পাঁচশো মিটার দূরে নদীর ধার থেকে উদ্ধারকারী দল খুঁজে পায় মারিয়া আর তার শিশুপুত্রকে।

সাধে আর কলাম্বিয়া বিমান বাহিনীর প্রধান একে ‘মিরাকল’ বলেছেন!

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ