1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ফয়সাল-আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদে কলকাতায় যাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে প্রচার শুরু আজ তেলের কোনো সংকট নেই, দাম বাড়ছে না: সেতুমন্ত্রী তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন জাহেদ উর রহমান ইরানে কঠোর হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে আহ্বান সৌদি আরবের তেলের কোনো সংকট নেই, দাম বাড়ছে না: সেতুমন্ত্রী স্ত্রী ‘ফিলিস্তিনের পক্ষে’ কাজ করায় যুক্তরাষ্ট্রে তোপের মুখে মেয়র মামদানি

পৈশাচিক কর্মসূচি: হানিফ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫
  • ৯০ Time View

hanif14আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, “বিএনপি-জামায়াত যদি হরতাল-অবরোধ বন্ধ করে তাহলে সরকার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব নাশকতা বন্ধ করতে সক্ষম হবে। এ পর্যন্ত ৭২ জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এটা পৈশাচিক কর্মসূচি ছাড়া আর কিছুই নয়।”

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হানিফ বলেন, “বিএনপি নিজেরাই জানে না তাদের কি দাবি। হরতাল অবরোধের নামে তারা মানুষ পোড়াচ্ছে। আর কিছু কিছু বুদ্ধিজীবী তাদের পক্ষ নিয়ে সংলাপের কথা বলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। বিএনপির মনে রাখা উচিত- সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দিয়ে কোনো দাবি আদায় করা যাবে না। যারা সংলাপের কথা বলেন- সেইসব বুদ্ধিজীবীদের উচিত বিএনপি-জামায়াতকে জ্বালাও-পোড়াও বন্ধের জন্য চাপ সৃষ্টি করা।”

তিনি বলেন, “বিএনপি-জামায়াত নিজেদের পেট্রলবোমা হামলায় জড়িত নয় বলে দাবি করছে। তাহলে তাদের সঙ্গে কেন সংলাপ হবে?”

হানিফ বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের বড় সমস্যা পেট্রলবোমা হামলা বন্ধ করা। বিএনপি-জামায়াত যদি পেট্রলবোমা হামলা না করে তাহলে যারা এই হামলা করছে তাদের সঙ্গেই আমাদের সংলাপ করা দরকার।”

ড. কামাল হোসেনের ভূমিকায় বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক ও সংবিধানের প্রণেতা ড. কামাল হোসেন যখন স্বাধীনতা বিরোধীদের পক্ষ নেন তখন পুরো জাতি স্তম্ভিত হয়ে যায়। তার জামাতা ডেভিড বার্গম্যান যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে লেখালেখি করেন। জামায়াতের সান্নিধ্যে আসায় তিনি স্বাধীনতার চেতনা থেকে কিছুটা দূরে সরে গেছেন কিনা জানি না। আমরা আশা করছি- তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কাছেই ফিরে আসবেন।”

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসির পর পাকিস্তানের সংসদে নিন্দা ও কাদের মোল্লাকে পাকিস্তানের একজন অকূতোভয় সৈনিক দাবি করার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “জামায়াতের কর্মীরা আজও পাকিস্তানের সৈনিক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে বিপক্ষ শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করা হয়েছে।”

সংবাদ সম্মেলন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, ড. আব্দুর রাজ্জাক, ফরিদুন নাহার লাইলি, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, বদিউজ্জামান ভূইয়া ডাবলু, এনামুল হক শামীম, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ