1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পুলিশের ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি অস্থায়ী অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ আসামে ভয়াবহ বন্যা, ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ তিস্তাসহ চার নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর দুর্ধর্ষ অভিযান, নিহত ২৯ হালান্ডকে আটকে নকআউটে চমক দিতে চায় আইভরি কোস্ট প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের ব্যর্থতার দায় নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের পদত্যাগ

সুনামির দশ বছর পূর্তিতে মৃতদের জন্য প্রার্থনা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৪
  • ৮৮ Time View

ভারত মহাসাগরে সুনামি আঘাত হানার দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে হাজার হাজার মানুষ ইন্দোনেশিয়ার বান্দা আচেহ শহরে সমবেত হয়েছেন।

সেখানে মৃতদের জন্য প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুনামির শিকার হতভাগ্য মানুষদের স্মরণে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে আজ।image_111574_0

ইন্দোনেশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট জুসুফ কাল্লা স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের এবং আন্তর্জাতিকভাবে যারা সাহায্য করেছেন তাদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

আচেহ প্রদেশের রাজধানী বান্দা আচেহ শহর ২০০৪ সালের সেই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামিতে মাটির সাথে মিশে গিয়েছিল।

ভূমিকম্প ও সুনামির আঘাতের পরও শহরে দাঁড়িয়ে থাকা ১৯ শতকের কয়েকটি ভবনের একটি সেখানকার গ্র্যান্ড মস্ক বা বাইতুর রহমান মসজিদ। সেখানে মৃতদের জন্য স্মরণে এসেছিলেন হাজার হাজার ইন্দোনেশিয়ান।

তাদের একজন ডালিয়া নামের এক নারী বলছিলেন, সুনামি তাদের সবকিছু ধ্বংস করে দিলেও তারা আশার আলো দেখেছেন।

ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সেই সুনামির উৎস ছিল সুমাত্রার পশ্চিম উপকুলে সমুদ্রপৃষ্ঠে এক ভয়াবহ শক্তিশালী ভূমিকম্প। সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৯.১ মাত্রার। বিশ্বের ইতিহাসে এটি ছিল তৃতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্প। যার ধাক্কায় সমুদ্রের ঢেউ উঠেছিল ৩০ মিটার বা ১০০ ফিট উঁচুতে।

আটশো কিলোমিটার গতিতে প্রচণ্ড সেই ঢেউ আছড়ে পড়েছিল ইন্দোনেশিয়ার আচেহ, শ্রীলংকা, ভারতের আন্দামান, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড ও সোমালিয়ার উপকুলে।

মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় আড়াই লাখের কাছাকাছি। শুধুমাত্র আচেহ প্রদেশে মারা গিয়েছে এক লাখ ৭০ হাজার মানুষ। নিখোঁজ হন প্রায় দুই লাখ মানুষ। ঘরছাড়া হয়েছেন, জীবিকা হারিয়েছেন অসংখ্য মানুষ।

সবমিলিয়ে এক হাজার কোটি ডলার সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।
১০ বছর পর আক্রান্তরা ক্ষতি সামলে উঠলেও মনের ক্ষত এখনো মেলেনি।- বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ