1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিলুপ্ত ফুটি কার্পাস পুনরুদ্ধার, ১৭০ বছর পর বিশ্ববাজারে ফিরছে ঢাকাই মসলিন বিপিজেএ খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত আরও এক বছর অর্থ সচিব থাকছেন খায়েরুজ্জামান সাভারে যমুনা ব্যাংকের উপশাখা উদ্বোধন বাংলাদেশ-স্পেন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারে গুরুত্ব আরোপ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর চিত্রনাট্যে ছিল না, কিন্তু সাহসী দৃশ্যে রাজি ছিলেন রেখা-অক্ষয় নেতানিয়াহুর থাকা না থাকায় বিশ্বে কী প্রভাব পড়বে? আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা শুরু ২৯ অক্টোবর, থাকবে ২০টির বেশি দেশ ভারতের কাছে এবার ১৩ গোল হজম করল বাংলাদেশ সরকারি ব্যাংকের মধ্যে প্রথম মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

‘মানবপাচার বন্ধে প্রয়োজন যৌথ নজরদারি’

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
  • ৮৪ Time View

girl pবাংলাদেশ থেকে ভারতে মানবপাচার রোধে যৌথ নজরদারির ওপর জোর দিয়েছেন মানবাধিকার কর্মী এবং বিশ্লেষকরা৷ দু’দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরকে তাই ইতিবাচক হিসেবে গণ্য করেছেন তারা৷ বলেছেন, দু’দেশই লাভবান হবে৷

গত সপ্তাহে ঢাকায় বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে মানবপাচার রোধে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে৷ এটা ছিল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকার কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি৷ কারণ বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া নারী ও শিশুদের প্রধান গন্তব্য এখনো ভারত৷

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, এই চুক্তি সইয়ের মধ্য দিয়ে দুই দেশেই মানবপাচার কমে আসবে৷ চুক্তির আওতায় তথ্য বিনিময় এবং পারষ্পরিক সহযোগিতা বাড়লে পাচারকারী চক্রকে চিহ্নিত করা সহজ হবে৷

তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ থেকে ভারতে মানবপাচারের জন্য সেখানে যেমন সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করে, তেমনি বাংলাদেশেও তাদের সহযোগী গ্রুপ রয়েছে৷ এই দুই গ্রুপ এক হয়েই মানবপাচার সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে৷ সুতারাং দুই দেশ তথ্য বিনিময় করলে চক্রগুলোকে চিহ্নিত ও আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে৷”

তার কথায়, ‘‘বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া নারী ও শিশুদের প্রধান গন্তব্য ভারত৷ এছাড়া বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্তই পাচারের প্রধান রুট৷ তাই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে রুটগুলোতে নজরদারি যেমন বাড়বে, তেমনি পাচারের সংখ্যাও কমে আসবে৷ এবং তার সঙ্গে সঙ্গে পাচার হওয়া নারী ও শিশু উদ্ধারের উৎপরতায় গতি আসবে৷”

অন্যদিকে বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, ‘‘এই চুক্তিটি অভিনন্দনযোগ্য৷ শুধু যে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয় তা নয়, ভারত থেকেও নারী ও শিশু পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসে৷ আর এই পাচারকৃত নারী ও শিশুদের গন্তব্য ভারত ও দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ৷ তাদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে পাচার করা হয়৷ এখন প্রধান কাজ হলো, দুই দেশেরই নজরদারি জোরদার করা৷ বিশেষ করে সীমান্তে যৌথ নজরদারির ব্যবস্থা করা গেলে তা বেশ ফল দেবে৷”

তিনি বলেন, মানবপাচারের এই ঘৃণ্য কাজে সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ কেউ জড়িত থাকার অভিযোগ আছে৷ এ ব্যাপারেও অনুসন্ধান করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে৷

প্রসঙ্গত, সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫০ হাজার নারী ও শিশু ভারত, পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যে পাচার হয়ে থাকে৷ তার ওপর বাংলাদেশের ১৮টি রুট দিয়ে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার নারী ও শিশু অবৈধ পথে ভারতে পাচার হয়ে চলেছে৷

বাংলাদেশের সাথে ভারতের চার হাজার ২২২ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ২৮৮ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা রয়েছে৷ পাচারকারীরা বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে নারী ও শিশুদের পাচার করে৷ উত্তরের দিনাজপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত পথ দিয়ে নারী ও শিশুদের পাচার করা হয়৷ ওই অঞ্চলের সীমান্ত এলাকার ১১টি রুট দিয়ে নারী ও শিশু পাচার হয়ে থাকে৷

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১৫ হাজার মানব পাচার হয়, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু৷ তাদের হিসাব অনুযায়ী, গত ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে তিন লাখের বেশি নারী ও শিশু পাচার হয়েছে ভারতে৷ তবে বেসরকারি বিভিন্ন এনজিও-র দাবি, পাচারের সংখ্যা পাঁচ লাখের বেশি৷

মানবপাচার প্রতিরোধে ২০১২ সালে বাংলাদেশ সরকার একটি আইন করে, যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড৷ এর আওতায় জেলা পর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে মামলা পরিচালনার কথাও বলা হয়েছে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ