1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মিমিকে প্রকাশ্যে মঞ্চে হেনস্তা, গ্রেপ্তার সেই যুবক নির্বাচনের পরিবেশ বিগত সরকারের আমলের চেয়ে ভালো : প্রেসসচিব আগামীকালই হবে ৫০তম বিসিএস পরীক্ষা আয়কর রিটার্ন জমার সময় আরো বাড়াল এনবিআর দেশ কোনদিকে যাবে জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করবে: তারেক রহমান যে দেশে চাকরির অনিশ্চয়তা, সেখানে টিকটক করে ডলার কামানো স্বাভাবিক : অর্ষা বিশ্ববাজারে বাড়লো সোনা-তেলের দাম, শেয়ারবাজারে ধস সংঘাতে সঙ্গে জড়িত না এমন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপিতে স্বাগত চাঁদে আঘাত হানতে পারে গ্রহাণু, পৃথিবীতে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টির আশঙ্কা জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

বব্স ২০১৪-র সেরা ব্লগ মিশরের একটি ফটোব্লগ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৭ মে, ২০১৪
  • ১০৯ Time View

blogmishorডয়চে ভেলের বেস্ট অফ অনলাইন অ্যাকটিভিজম অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন মাত্র ২৩ বছর বয়সি এক মিশরীয় আলোকচিত্রশিল্পী, যার নাম মুসা’আব এলসামি৷ ছিলেন ভেষজবিজ্ঞানের ছাত্র৷ নেশা ছিল ফটোগ্রাফি: আরব বসন্ত অবধি৷

যে বিপ্লব হোসনি মুবারকের পতন ঘটায়, সেই বিপ্লবই যেন এলসামি-র চোখ খুলে দেয়, এ যুগে ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি যে মানুষের কাছে কি বার্তা পৌঁছে দিতে পারে, কি ধরনের আবেগ-অনুভূতির দুয়ার খুলে দিতে পারে, সে ব্যাপারে৷ ‘‘আমার পথে না বেরিয়ে উপায় ছিল না,” স্কাইপে নেওয়া সাক্ষাৎকারে ডয়চে ভেলেকে বললেন এলসামি৷ ‘‘আমার কর্তব্য হলো এই সব ছবি তোলা৷ সেই সঙ্গে আমি খেয়াল করি যে, ক্রমেই আরো বেশি মানুষ এই সব ছবি দেখতে চান৷”

পড়া ছেড়ে এলসামি ফটো-সাংবাদিকতার দিকে ঝোঁকেন৷ সাফল্যও আসতে থাকে৷ শীঘ্রই তার ছবি ছাপা হতে শুরু করে টাইম ম্যাগাজিন, প্যারিস ম্যাচ, নিউ ইয়র্ক টাইম্স, এমনকি রোলিং স্টোন মিউজিক ম্যাগাজিনেও৷ আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলির জন্য কাজ করতে শুরু করেন মুসা’আব৷ একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন৷ আজ বিশ্বের সেরা প্রেস ফটোগ্রাফারদের মধ্যে গণ্য করা হয় তাকে৷ এক তরুণ আলোকচিত্রশিল্পীর পক্ষে এক আশ্চর্য ক্যারিয়ার৷

শাটার আছে, কিন্তু ফিল্টার নেই
টুইটার, ফেসবুক, ফ্লিকার-এ ছবি পোস্ট করে থাকেন এলসামি, আর নিজের ওয়েবসাইটে তো বটেই৷ ওয়েবসাইটটিকে সংকীর্ণ অর্থে ঠিক ওয়েবব্লগ বলা চলে না৷ বরং এখানে মুসা’আব এলসামি তার নিজের কাহিনিগুলি শোনান৷ এগুলি হলো ছবিতে কাহিনি: যুদ্ধ, নিপীড়ন, অন্যায় কিংবা শোকের কাহিনি৷ আবার দৈনন্দিন জীবনের ছোট্ট, সুন্দর মুহূর্তগুলোও আছে: বাচ্চারা আইসক্রিম খাচ্ছে, কিংবা বাড়ির ছাদে কাপড় শুকোতে দেওয়া হয়েছে৷ উত্তাল সময়ে ছোট ছোট শান্তির দ্বীপ৷ এলসামির নিজের অত্যন্ত কাছের ছবি৷

এলসামি মানুষের আবেগ-অনুভূতি দেখান ঠিকই, কিন্তু সাংবাদিকতার ফিল্টার ছাড়া৷ তার ছবির মানুষজনের মুখচোখ সত্যিই সেই মুহূর্তটির প্রতিচ্ছবি; পোজ করা, সাজানো ছবি নয়৷ ‘‘এ ধরনের মুহূর্তে মানুষজন ক্যামেরার মুখোমুখি হতে চান না৷ কাজেই আমি যে মানুষদের ছবি তুলতে চাই, আমাকে তাদের দিকটা ভাবতে, তাদের অনুভূতি উপলব্ধি করতে হয়েছে৷” রাজপথের দাঙ্গার মধ্যেও এলসামিকে অদৃশ্য থাকতে হয়েছে – যতটা সম্ভব ৷ এলসামি জানেন, বিপদ ঘটতে পারে; তবুও বারংবার তার ক্যামেরা নিয়ে প্রস্তুত থেকেছেন সেই অপ্রত্যাশিত, হয়ত ট্র্যাজিক মুহূর্তটির জন্য৷ এক আন্দোলনকারীর ছবি তুলছেন, একটি নয়, একাধিক ফ্রেম জুড়ে৷ হঠাৎ সেই মানুষটির মাথায় গুলি লাগল৷ বাবার কোলে সন্তানের মৃতদেহ৷ পতিহারা নারীর শোক৷ ইতিহাসের বিরাট প্রেক্ষাপটে যেন এই সব ছোট ছোট ট্র্যাজেডি ঘটে চলেছে, আর সেগুলিকে ক্যামেরায় ধরে রাখছেন এলসামি৷

ফটোগ্রাফিও তো একটা ভাষা
মুসা’আব এলসামিকে মনোনয়ন করেন বব্স্-এর জুরি-সদস্য তারেক আমর৷ তিনি বলেন: ‘‘বব্স্-এ ১৪টি ভাষার মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে৷ কিন্তু মুসা’আব-এর কোনো ভাষার প্রয়োজন নেই৷ তিনি ফটো দিয়ে ব্লগ করেন, কাজেই তিনি কি বলছেন, তা বোঝার জন্য কারো তার মাতৃভাষা জানার প্রয়োজন নেই৷” দশম বব্স্ প্রতিযোগিতায় সেরা ব্লগের শিরোপা জিতে এলসামি বলেছেন: এটা তার কাছে তার কাজ চালিয়ে যাবার, আরো কাহিনি শোনানোর একটা প্রেরণা – এবং সেই পন্থায় হয়ত নিজের দেশের পরিস্থিতিতেও কিছুটা পরিবর্তন আনা সম্ভব৷– ডিডব্লিউ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ