বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বিশ্বব্যাপী প্রত্যাখ্যাত হওয়ায়, আল কায়েদার হুমকির কথা বলে সরকার মার্কিনীদের পক্ষে আনার চেষ্টা করছে।
সোমবার নয়াপল্টনস্থ দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি কোনো সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গীবাদকে প্রশ্রয় দেয় না। আল কায়েদার কথিত ভিডিও বার্তার সঙ্গে তার দলের বক্তব্যের কোনো সর্ম্পক নেই। একটি মহল নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে বিএনপিকে জড়িয়ে নানা অপবাদে লিপ্ত রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক অবস্থা, সংসদ নির্বাচন, হত্যা, গুম, নির্বিচারে মানুষ হত্যা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বিবৃতি দিয়েছে। যদি তাদের বক্তব্য আল কায়েদার বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যায়, তবে কেন তাদেরকে এ জন্য দায়ী করা হচ্ছে না। এতে প্রমাণিত হয় বিএনপিকে জড়িয়ে কথিত ভিডিও বার্তা নিয়ে সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীলরা যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তা অসত্য ও ভিত্তিহীন।
ফখরুল বলেন, সরকারের উচিত দেশের বিরুদ্ধে যে কোনো হুমকি সবাইকে নিয়ে মোকাবেলা করা। অথচ সরকার বিএনপিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এর সঙ্গে জড়াতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
যে কোনো অঅগ্রাসন থেকে মাতৃভূমিকে রক্ষা করা সকল রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব। সরকারের আত্মঘাতী এ ষড়যন্ত্র থেকে দূরে থাকা উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল আরো বলেন, বাংলাদেশকে মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিচিত করতে যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, তা ভেবে দেখার বিষয়। সরকারের এসব ষড়যন্ত্রের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।