1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিমিকে প্রকাশ্যে মঞ্চে হেনস্তা, গ্রেপ্তার সেই যুবক নির্বাচনের পরিবেশ বিগত সরকারের আমলের চেয়ে ভালো : প্রেসসচিব আগামীকালই হবে ৫০তম বিসিএস পরীক্ষা আয়কর রিটার্ন জমার সময় আরো বাড়াল এনবিআর দেশ কোনদিকে যাবে জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করবে: তারেক রহমান যে দেশে চাকরির অনিশ্চয়তা, সেখানে টিকটক করে ডলার কামানো স্বাভাবিক : অর্ষা বিশ্ববাজারে বাড়লো সোনা-তেলের দাম, শেয়ারবাজারে ধস সংঘাতে সঙ্গে জড়িত না এমন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপিতে স্বাগত চাঁদে আঘাত হানতে পারে গ্রহাণু, পৃথিবীতে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টির আশঙ্কা জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

রোববার থেকে ‘থ্রিজি’ পরিসেবা উন্মুক্ত হচ্ছে

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ৯৮ Time View
3gআগামীকাল রোববার বহু প্রত্যাশিত তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইল ফোন সার্ভিস নিলামের মাধ্যমে উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে৷ যদিও রাষ্ট্রীয় মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক গত বছরের অক্টোবর থেকে পরীক্ষামূলক থ্রিজি সেবা দিয়ে আসছে৷

বোববার অনুষ্ঠিত দেশের ইহিতাসে সবচেয়ে বড় নিলামে অন্তত পাঁচ হাজার কোটি টাকার স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেয়া হবে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরকে৷ তবে অপারেটররা বেশি স্পেকট্রাম নিলে টাকার অঙ্ক ৬ হাজার কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যেতে পারে৷

ইতিমধ্যে  টেলিটককে যে স্পেকট্রাম দেয়া হয়েছে, তার দাম ভ্যাটসহ প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা৷ টেলিটক এই নিলামে অংশ না নিলেও নিলামে ওঠা দাম তাদের পরিশোধ করতে হবে৷ হোটেল রূপসী বাংলায় অনুষ্ঠিত হবে উন্মুক্ত এই নিলাম৷ এতে অংশ নেবে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর (গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও এয়ারটেল)৷
গত পাঁচ বছর ধরে থ্রিজি-র নিলাম করার চেষ্টা করে আসছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)৷ ২০০৮ সালে গাইডলাইন তৈরির পর ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে এই নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল৷

কিন্তু তা পেছাতে পেছাতে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে এসে ঠেকেছে৷ তারপরও থ্রিজি উন্মুক্ত হওয়ায় খুশি মোবাইল ফোন অপারেটর ও গ্রাহকরা৷ থ্রিজিতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা মিলবে ইন্টারনেট সেবায়৷ গতি বাড়বে কয়েকগুন৷

তাছাড়া এই নীতিমালা অনুযায়ী থ্রিজির সঙ্গে ফোরজি ও এলটিই সার্ভিস দিতে পারবে মোবাইল ফোন অপারেটররা৷ আর এর জন্য এখনই তাদের স্পেকট্রাম নিতে হবে৷ কারণ ফোরজি ও এলটিই-র জন্য নতুন করে স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেবে না বিটিআরসি৷ একটি বিদেশী প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় অপারেটর টেলিটকসহ ৫টি প্রতিষ্ঠানকে থ্রিজির লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি৷
কিন্তু কোন বিদেশি প্রতিষ্ঠান আসতে আগ্রহ না দেখানোয় গাইডলাইন সংশোধন করে সেই জায়গায় বর্তমানে বাংলাদেশে সেবা দেয়া অপর একটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷ বাংলাদেশে বর্তমানে রাষ্ট্রীয় অপারেটর টেলিটকসহ ছয়টি অপারেটর সেবা দিচ্ছে৷ এরমধ্যে এখন লাইসেন্স পাচ্ছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান৷ শুধুমাত্র সিটিসেল থ্রিজির লাইসেন্স পাচ্ছে না৷ তারা নিলামে অংশ নিতে আগ্রহ দেখালেও শেষ পর্যন্ত জামানতের টাকা জমা দেয়নি৷ ফলে নিলামে তারা অংশ নিতে পারছে না৷
থ্রিজির এই নিলামে অংশ নিচ্ছে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর৷ প্রত্যেকেই লাইসেন্স পাবে৷ তাহলে নিলাম কার্যত আনুষ্ঠানিকতা কি না – এমন প্রশ্নের জবাবে বিটিআরসি চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস বলেন, নিলামে প্রতিযোগিতা হবে৷ কারণ অপারেটরদের ফোরজি ও এলটিই-র জন্য এখনই স্পেকট্রাম নিতে হবে৷
বিটিআরসি চেয়ারম্যান আরো জানান, থ্রিজির নীতিমালা অনুযায়ী নিলামে অংশ নিতে প্রতি মেগাহার্টজ স্পেকট্রামের (তরঙ্গ) ফ্লোর প্রাইস (সর্বনিম্ন মূল্য) নির্ধারণ করা হয়েছে দুই কোটি মার্কিন ডলার৷ আবেদনপত্র ফি পাঁচ লাখ টাকা৷ লাইসেন্স নিতে ১০ কোটি টাকা, আর বার্ষিক লাইসেন্স ফি ৫ কোটি টাকা৷
নিলামে বিজয়ী প্রতিষ্ঠানকে মোট তরঙ্গ ফি-র ৬০ শতাংশ ৩০ কার্যদিবস ও ৪০ শতাংশ পরবর্তী ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতে হবে৷ আর এই লাইসেন্স দেওয়া হবে ১৫ বছরের জন্য৷ পরবর্তী সময়ে প্রতি পাঁচ বছরের জন্য নবায়নের সুযোগ থাকবে৷ আয়ের ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বিটিআরসিকে জমা দিতে হবে৷ সোশাল অবলিগেশন ফি ধরা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষিত মোট আয়ের এক শতাংশ৷
আরো জানা যায়, থ্রিজি সার্ভিসের জন্য প্রত্যেক অপারেটরকে কমপক্ষে ৫ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম নিতে হবে৷ কেউ চাইলে বেশিও নিতে পারেন৷ ইতিমধ্যে টেলিটককে থ্রিজির জন্য ১০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেয়া হয়েছে৷ এখনও বিটিআরসির হাতে রয়েছে ৪০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম৷ এক ডাকেও যদি অপারেটররা স্পেকট্রাম পান, তাহলে প্রতি মেগাহার্টজের দাম হবে ২১ মিলিয়ন বা ২ কোটি ১০ লাখ ডলার৷ বাংলাদেশি টাকায় ১৬৮ কোটি (এক ডলার ৮০ টাকা হিসেবে) টাকা৷ ৪০ মেগাহার্টস স্পেকট্রামই যদি অপারেটররা নিয়ে নেয় তাহলে এই হিসেবে বিটিআরসি পাবে ৬ হাজার ৭২০ কোটি টাকা৷ এর সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে৷ এই দামে টেলিটককেও দিতে হবে ভ্যাট ছাড়া এক হাজার ৬৮০ কোটি টাকা৷ এর আগে গত ২৯শে আগস্ট জামানত হিসেবে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর ৬২২ কোটি টাকা জমা দিয়েছে৷ সব মিলিয়ে আগামীকাল রোববার ৭ থেকে ৮ হাজার কোটি টাকার নিলাম অনুষ্ঠিত হবে৷ যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিলাম৷

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ