1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল নেত্রকোণায় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত তিলকখালি খাল খননের উদ্বোধন ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সচেতনতামূলক প্রচারণার দাবি রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের আইজিপির সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইলেকশন অবজারভেশন মিশন প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ তামাকের ‘প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ’ করার প্রস্তাব দেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী মিরপুরে বহুতল বাণিজ্যিক ভবনে আগুন সরকারি-বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ১৬ মার্চ সারা দেশে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৮১০ মামলা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি শত্রুর কল্পনারও বাইরে: জেনারেল আলী আবদুল্লাহি

ট্রাইব্যুনাল বিলে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
  • ১৩৮ Time View

সংসদে পাস হওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (এমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট ২০১৩-এ প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লর রহমান স্বাক্ষর করেছেন। গতকাল সংশোধিত আইনে স্বাক্ষরের পর গেজেট প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই সংশোধনীর ফলে কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে আদালতের দেয়া রায় চ্যালেঞ্জ করে আপিল করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত সংগঠনকেও বিচারের মুখোমুখি করা যাবে। সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হুদা জানান, গত  ১৭ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে পাস হওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (এমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০১৩ গতকাল সকালেই প্রেসিডেন্টের দপ্তরে পাঠানো হয়। প্রেসিডেন্ট গতকাল দুপুরে ওই বিলে স্বাক্ষর করেছেন। এর আগে রোববার সংসদে উত্থাপিত বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। মন্ত্রী সংসদীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার, বাদী ও বিবাদীপক্ষ সর্বোচ্চ আদালতে আপিলের বিধান রেখে পাসের প্রস্তাব করলেও বিলে নতুন সংশোধনীর প্রস্তাব করেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। তিনি বিলের ৩ ধারায় দু’টি সংশোধনী এনে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনকে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান। পরে এই সংশোধনী প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করে বিলটি পাস করা হয়। রাশেদ খান মেনন তার সংশোধনীতে বিলের ৩(১) উপধারায় ইনডিভিজুয়ালস (individuals) ও কমার পর অর অর্গানাইজেশন (or organization) শব্দগুলো যুক্ত করার প্রস্তাব করেন। সংশোধনীর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধ কেবল ব্যক্তির বিষয় নয়, এর সঙ্গে সংগঠনও জড়িত। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালীন বেশ কয়েকটি সংগঠন রাজাকার-আলবদর সৃষ্টি করে গণহত্যা চালিয়েছে, যুদ্ধাপরাধ করেছে। এখন পর্যন্ত স্বাধীনতার বিরোধিতা ও যুদ্ধাপরাধের দায় স্বীকার করে এসব সংগঠন জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেনি। তিনি আরও বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতেও যুদ্ধাপরাধের দায়ে ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনকেও বিচারের আওতায় আনার বিধান রয়েছে। তাই যুদ্ধাপরাধের দায়ে ব্যক্তির পাশাপাশি জড়িত সংগঠনগুলোকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে। আর ট্রাইব্যুনালের দু’টি রায়েও জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ হয়েছে। তাই ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনকেও বিচারের আওতায় আনতে আমি সংশোধনী প্রস্তাব এনেছি।
সংসদে পাস হওয়া নতুন আইনটি ২০০৯ সালের ১৪ই জুলাই থেকে কার্যকর হবে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার, বাদী ও বিবাদীপক্ষ শুধুমাত্র আপিল করতে পারবে। এছাড়া রায়ের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল এবং ৬০ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ