1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন

মেলার মাঠে এবার শেকৃবি শিক্ষার্থীদের গেট ও স্টল ভাঙচুর

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৪ Time View

রাজধানীর পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠে থাকা মেলার গেট ও কয়েকটি স্টল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। আজ বুধবার সকালে মাঠটি পুনরুদ্ধারের দাবিতে মিছিল নিয়ে সেখানে যান শেকৃবি শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা এশিয়া আন্তর্জাতিক মেলার জন্য নির্মিত একটি গেট ও স্টল ভাঙচুর করেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সচিবালয় সরিয়ে শেরেবাংলা নগরের পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠে স্থানান্তরের ঘোষণা আসে। এ নিয়ে অব্যাহত আন্দোলনের মধ্যেই ঘটল ভাঙচুরের এই ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকাস্ট্যান্ডের সামনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠে গিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। একপর্যায়ে মাঠে থাকা মেলার গেট ও স্টল ভাঙচুর করা হয়। শিক্ষার্থীরা গণমাধ্যমকে জানান, মেলা সরিয়ে নিতে গতকাল মঙ্গলবার তারা কর্তৃপক্ষকে বলেছিলেন এবং এ জন্য সময়ও বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো অগ্রগতি না দেখায় তারা মাঠে গিয়ে আন্দোলন করেছেন। মাঠ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। মেলার মহাজন মো. জাহাঙ্গীর ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখনই গেট সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলে দিচ্ছি। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের কেউ নই। এটি সরিয়ে ফেলব।’ এর আগে গতকাল সচিবালয় স্থাপনের জন্য মাঠে মাটির গুণাগুণ পরীক্ষার (সয়েল টেস্ট) কাজ চলছিল। দুপুরের দিকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সেখানে যান শেকৃবি শিক্ষার্থীরা। পরে মাটি পরীক্ষার যন্ত্রাংশ ও দুটি গাড়ি ক্যাম্পাসে নিয়ে যান তারা। শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম মনির আগামীর সময়কে বলেন, ‘শেকৃবি শিক্ষার্থীরা মাঠে এসেছিল। গেটসহ দু-একটি ছোট স্থাপনা ভাঙচুর করেছে। তাদের দাবি জানিয়ে পরে আবার চলে গেছে।’ ভাঙচুরের ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান। তিনি বলেন, ‘ওই মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের কথা। তবে ৫ আগস্টের পর শেকৃবি শিক্ষার্থীরা সেখানে মাঠ গবেষণার জন্য একটি ইনস্টিটিউট ধরনের প্রতিষ্ঠান চেয়েছিলেন। এ কারণে তারা সচিবালয় স্থানান্তরের বিরোধিতা করে আসছেন।’ তারই ধারাবাহিকতায় আজ ভাঙচুর হয়েছে বলে মনে করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। তিনি এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও গণপূর্তের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। গত ১৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তিনি জানান, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমানে আবদুল গনি রোডে অবস্থিত সচিবালয় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠে নেওয়া হবে। ২০২৯ সালে নতুন জায়গায় অফিস শুরুর লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ