1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
৫০ মিনিট বন্ধ থাকার পর শুরু বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের নারী দলের স্বর্ণজয় পুঁজিবাজার গতিশীল করতে পাঁচ মাসে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন বাণিজ্য মেলা সরানোর দাবি শেকৃবি শিক্ষার্থীদের, নির্মাণাধীন স্টল ভাঙচুর ধীরে এগোচ্ছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, দেশের যেসব অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা হাসিনা-কামালসহ ৮ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি ফের পেছাল রাষ্ট্রীয় ব্যাংককে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার হাতিয়ার করা যাবে না: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ কাজাখস্তানকে উড়িয়ে এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের সোনা জয় ইংল্যান্ডকে ৭৯-১৩ পয়েন্টে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ বিশ্বকাপের নকআউটে বাংলাদেশ

আমিরাতে জনতা ব্যাংকের ৪ শাখা বন্ধের প্রক্রিয়া ঠেকাতে সরকারের হস্তক্ষেপ চায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৮ Time View

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) জনতা ব্যাংকের চারটি শাখা বন্ধের প্রক্রিয়া ঠেকাতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ।

সোমবার পাঠানো এক চিঠিতে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে জরুরি বৈঠক আহ্বানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেককে অনুরোধ জানিয়েছেন।

সংকট থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ দূতাবাসসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।

চিঠি অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (সিবিইউএই) জনতা ব্যাংকের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া তদারকির জন্য নিরীক্ষা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্রো ইউএইকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। গত ৮ অক্টোবর থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।

জনতা ব্যাংকের চিঠি থেকে জানা গেছে, ন্যূনতম মূলধন সংরক্ষণের শর্ত পূরণ করতে না পারায় ইউএইতে ব্যাংকটির কার্যক্রম নিয়ে সংকটের সূত্রপাত হয়। ২০২১ সালে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিদেশি ব্যাংকগুলোর ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধনের শর্ত ৪ কোটি দিরহাম থেকে বাড়িয়ে ৪০ কোটি দিরহাম করে।

কিন্তু ইউএইতে জনতা ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ছিল ১০ কোটি দিরহাম। এর সঙ্গে ৮ কোটি ৩০ লাখ দিরহাম সংরক্ষিত মুনাফা যোগ করেও প্রয়োজনীয় মূলধনের ঘাটতি থেকে যায়।

এই ঘাটতির কারণে গত ৮ জুলাই থেকে ইউএইর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে থাকা জনতা ব্যাংকের হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তরে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

এরপর ১৫ জুলাই ব্যাংকটিকে সর্বোচ্চ তিন বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নতুন গ্রাহক নেওয়া ও নতুন হিসাব খোলা বন্ধ এবং বিদ্যমান দায় পরিশোধের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়।

পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনতা ব্যাংকের পক্ষ থেকে মূলধন জোগানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতে সাড়া দেয়নি ইউএইর নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

জনতা ব্যাংকের পক্ষ থেকে ৩০ কোটি দিরহাম বা প্রায় ৮ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার পাঠানো হলেও সিবিইউএই তা মূলধন হিসেবে গ্রহণ করেনি। নিয়ন্ত্রক শর্ত পরিপালনে ঘাটতির কথা উল্লেখ করে কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে সংস্থাটি।

জনতা ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে পাঠানো অর্থ ইউএইর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে থাকা জনতা ব্যাংকের নস্ট্রো হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই অর্থ অন্য কোনো কাজে ব্যবহার না করতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ট্রেজারি বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ইউএইতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গত ১৮ আগস্ট দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহকারী গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করে সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেন। জনতা ব্যাংকের কার্যক্রম সচল রাখতে ২০০ কোটি দিরহাম মূলধন জোগানের প্রতিশ্রুতি এবং শাখাপ্রতি ন্যূনতম মূলধন নিশ্চিত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। তবে এসব উদ্যোগের পরও কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেনি ইউএইর কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

শাখা বন্ধ হলে প্রবাসীদের ব্যাংকিং সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের চিঠিতে বলা হয়েছে, ইউএইতে ব্যাংকটির চারটি শাখা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রায় ৭০ হাজার আমানতকারী, ৩ হাজার ৮০০ ঋণগ্রহীতা এবং প্রায় ১০ লাখ প্রবাসী রেমিট্যান্স প্রেরক সেবা পান।

দেশটি থেকে বছরে আনুমানিক ৮০০ কোটি থেকে ১ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স পাঠায় ব্যাংকটি। ফলে শাখাগুলো বন্ধ হলে প্রবাসীদের ব্যাংকিং সেবা এবং দেশে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

১৯৭৪ সাল থেকে ইউএইতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে জনতা ব্যাংক। দীর্ঘদিনের এই কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে গ্রাহকদের আমানত ও ঋণ নিষ্পত্তি, কর্মীদের ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট চুক্তি বাতিলের ব্যয়ও বহন করতে হবে ব্যাংকটিকে।

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ