1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিদেশি সিনেমা এলেই কি হলগুলো বাঁচবে স্পেনের ফুটবলে নতুন ইতিহাস, তৃতীয়বার ব্যালন ডি’অর জিতলেন আলেক্সিয়া আসামে হোটেলে গোলাগুলি, নিহত ৫ জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে তারেক রহমান মহাপরিকল্পনা নিয়ে হতাশা কাটছে না তিস্তাপাড়ের মানুষের যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি ব্যাংকে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ কমাতে যে ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি করার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বিগ-বি’ উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় জাপান ও বাংলাদেশের বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক চলছে

জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৮ Time View

বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে জাপানি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, রেলপথ, অবকাঠামো ও গভীর সমুদ্রবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বাড়িয়ে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে চায় বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অধিকতর সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পারস্পরিক লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে তাঁর সরকার জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আলোচনার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, দুই নেতা দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছেন। এ সময় জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, রেলপথ, অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে সরকারি সফরে জাপানে এসেছেন উল্লেখ করে তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও জনগণের প্রতি উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের বিশেষ স্থান রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন লক্ষ্য দুই দেশের বন্ধুত্বের ভিত্তি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাপান প্রথমদিকের স্বীকৃতিদানকারী দেশগুলোর অন্যতম ছিল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে জাপান উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বিনিময়ের মধ্য দিয়ে এ সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বৈঠকের ফলাফল এবং দুদেশের অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলো একটি যৌথ বিবৃতিতে তুলে ধরা হবে। জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব। এর ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং উভয় দেশই লাভবান হবে। তিনি বলেন, ‘একসঙ্গে আমরা আমাদের দুই মহান দেশের জন্য আরও স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি।’ দুই দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী উত্তরাধিকার সৃষ্টি করবে— এমন একটি অংশীদারত্ব গড়ে তোলারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এর আগে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় গার্ড অব অনার প্রদান এবং দুই নেতার নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয়পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শুরু হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ