1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
যে দেশে চাকরির অনিশ্চয়তা, সেখানে টিকটক করে ডলার কামানো স্বাভাবিক : অর্ষা বিশ্ববাজারে বাড়লো সোনা-তেলের দাম, শেয়ারবাজারে ধস সংঘাতে সঙ্গে জড়িত না এমন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপিতে স্বাগত চাঁদে আঘাত হানতে পারে গ্রহাণু, পৃথিবীতে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টির আশঙ্কা জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাংলাদেশে একমাত্র আমরাই ইসলামি দল: চরমোনাই পীর মার্কিন ভিসানীতিতে পরিবর্তন, ভারতীয়দের মাথায় হাত শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহত, আমিরের কড়া বার্তা তারেক রহমান উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন আজ আবারও রাজনীতি করতে গিয়ে খুন হতে হবে কল্পনা করিনি : হাসনাত আবদুল্লাহ

শিক্ষাকে আনন্দময় করতে পাঠ্যক্রম সংস্কারের ওপর জোর শিক্ষা উপদেষ্টার

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৪ Time View

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, মেধা মানে কেবল অংক কষা বা বিজ্ঞানের জটিল সমস্যার সমাধান নয়, বরং মানুষের অন্তর্নিহিত সুপ্ত গুণের বিকাশ ঘটানোই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য।

তিনি শিক্ষাকে কেবল বই ও পরীক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একে আনন্দময়, বাস্তবমুখী ও জীবনঘনিষ্ঠ করে তোলার জন্য পাঠ্যক্রম ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব পুনর্বিবেচনার ওপর জোর দিয়েছেন।

তিনি আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬’ এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে বইয়ের চাপে শিশুরা ভারাক্রান্ত। এর ফলে তাদের অন্যান্য গুণাবলী বিকাশের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এখন সময় এসেছে বই ও পরীক্ষার ওপর অতি-নির্ভরশীলতা কমিয়ে সহশিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার।

তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমন আকর্ষণীয় পরিবেশে গড়ে তুলতে হবে যেন শিক্ষার্থীরা সেখানে যেতে মুখিয়ে থাকে।

শহর ও গ্রামের স্কুলের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে উপদেষ্টা বলেন, সুযোগের সমতা প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার। একেক শহরে কেবল একটি বা দুটি স্কুলই ভালো হবে—এই ধারণা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। প্রতিটি স্কুলকেই উন্নত ও মানসম্মত করা হবে যাতে গ্রাম বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেধাবীরা তাদের প্রতিভার পূর্ণ বিকাশের সুযোগ পায়।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পরিসংখ্যান তুলে ধরে ড. রফিকুল আবরার জানান, এবারের বিজয়ীদের মধ্যে ৫৭ শতাংশই নারী এবং ৪৩ শতাংশ পুরুষ।

বিশেষ করে ভাষা, রচনা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় মেয়েদের এই নিরঙ্কুশ আধিপত্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, নারীরা আজ নিজের যোগ্যতায় দৃঢ় অবস্থান করে নিচ্ছে। আমাদের মন-মানসিকতা থেকে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতে হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই সবাইকে মূল্যায়ন করতে হবে।

বক্তৃতার এক পর্যায়ে উপদেষ্টা নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি জানান, স্কুল জীবনে সহপাঠীদের অনুপ্রেরণাতেই তিনি আবৃত্তির প্রতি আগ্রহী হয়েছিলেন। বক্তব্যের শেষে তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কতিপয় চরণ আবৃত্তি করে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম ও আত্মমর্যাদাবোধে উজ্জীবিত করেন।

অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে আগত শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। এতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ