1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই, সহযোগীরা শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজতে চাইছে’ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা ইরানের পর আরো একটি দেশ দখলের ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ কাল ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের ১৬ মার্কিন ঘাঁটি পতিত আওয়ামী লীগের মতো বিএনপি কোনো কাজ করবে না : নজরুল ইসলাম যেদিকে তাকাই সেদিকেই অনিয়ম-দুর্নীতি : মির্জা ফখরুল জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী আলোচিত বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখার ভার সুপ্রিম জুডিশিয়ারি কাউন্সিলের : আইনমন্ত্রী ‘যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে’ ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে: ট্রাম্প

তারেক-কোকোর ঋণখেলাপ মামলার তদ্বির ৭ জানুয়ারি

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১২
  • ১০১ Time View

খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো এবং ভাই সদ্য প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ২ ছেলে, ১ মেয়ে ও স্ত্রীসহ ১০ জনের নামে দায়ের করা ৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপ মামলার তদ্বির গ্রহণের জন্য আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার বিবাদী মোজাফফর আহমেদ মারা যাওয়ায় এবং তার নামে পাঠানো সমন বিনা জারিতে ফেরত আসায় এ তদ্বির গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছেন প্রথম অর্থঋণ আদালতের বিচারক রবিউল ইসলাম।

বুধবার অন্য বিবাদীদের পক্ষে আদালতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

গত ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

মামলার বিবাদীরা হলেন, ডান্ডি-ডায়িং, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান, ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো, ছোট ভাই সদ্য প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ২ ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী নাসরিন আহমেদ, তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহিনা বেগম, মোজাফফর আহমেদ ও গাজী গালিব আব্দুস সাত্তার।
বিবাদীরা সবাই ডান্ডি-ডাইংয়ের পরিচালক।

৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপের অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিবাদীরা ডান্ডি-ডাইংয়ের পক্ষে ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনকৃত ঋণ মঞ্জুর করে।

২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সুদ মওকুফ করেন। এরপর ঋণ পুনঃতফসিলিকরণও করা হয়।

কিন্তু বিবাদীরা ঋণ শোধ না করে বারবার কালক্ষেপণ করতে থাকেন।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ প্রদান করা হলেও বিবাদীরা কোনো অর্থ পরিশোধ করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ