1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার সৌদি আরবে প্রবাসীদের সাদা কাগজে স্বাক্ষর কিংবা টিপসই দেওয়া থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে দূতাবাস দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল বিমানবন্দরে ইরানি অধিনায়ককে আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র টানা ৩ ম্যাচে গোল ভিনির, ইতিহাস বলছে বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প মুদি দোকানসহ ১৭ ব্যবসা খাত আসছে ভ্যাটের আওতায় ভিনির নৈপুণ্যে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ব্রাজিল মেসি-এমবাপ্পের রাজকীয় দ্বৈরথ, জমে উঠছে বিশ্বকাপ

নিজের নামে গুলশানের বাড়ির মালিকানা বুঝে পেলেন খালেদা জিয়া

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫
  • ৮৪ Time View

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজের গুলশানের বাড়ির নামজারির কাগজ আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে পেয়েছেন। বুধবার (৪ জুন) রাতে সরকারের পক্ষ থেকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’-তে গিয়ে তার হাতে দলিল হস্তান্তর করেন।

খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার জানান, মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা সৌজন্য সাক্ষাতে এসেছিলেন এবং কিছু কাগজপত্র সঙ্গে আনেন, তবে সেগুলোর বিষয়বস্তু সম্পর্কে তিনি অবগত নন। যদিও সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, বাড়িটির মালিকানা এতদিন খালেদা জিয়ার দখলে থাকলেও নামজারি হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তা সম্পন্ন করে তাকে মালিকানা দলিল হস্তান্তর করে।

দীর্ঘদিন পর আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের পেছনে মূল কারণ ছিল খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা। সূত্র মতে, সরকারের তরফ থেকে শুরু থেকেই উদ্যোগ ছিল তাকে নিজ নামে দলিল বুঝিয়ে দেওয়ার।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে গুলশানে দেড় বিঘা জমির ওপর বাড়িটি বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই বাড়িটির অবস্থান খালেদা জিয়ার বর্তমান বাসা ‘ফিরোজা’র পাশেই। এছাড়া সেনানিবাসে বরাদ্দ পাওয়া আরেকটি বাড়ি ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাতিল করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ