1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রিটেইল ব্যাংকিং বিক্রির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের বান্দরবানের নতুন ডিসি নাজনীন সুলতানা বাংলাদেশে খুচরা ব্যাংকিং ব্যবসা বিক্রি করবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ন্যাশনাল ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য সুখবর বিদেশগামী যাত্রীদের কাছে ৩,০০০ ডলার পর্যন্ত বিক্রির অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকদের ‘অর্থ আত্মসাৎ’: অগ্রণী ব্যাংকের বরখাস্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দুদক ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে বাংলা কিউআর পেমেন্ট সেবা চালু হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু একটি প্রাণ বাঁচাতে লড়ছিল পুরো গ্রাম, ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে খরচ চাওয়ার অভিযোগ তালা ভেঙে খোলা হল রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ভিসির কক্ষ

জাপানে মেগা ভূমিকম্পের শঙ্কা, মারা যেতে পারে ৩ লাখ মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৭২ Time View

জাপানে দীর্ঘদিন ধরে একটি মেগা ভূমিকম্পের আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা মারাত্মক প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। নতুন এক সরকারি প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে, এই ভূমিকম্পে প্রায় ৩ লাখ মানুষ মারা যেতে পারে এবং দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অর্ধেকের সমান ক্ষতি হতে পারে।

সোমবার (৩১ মার্চ) জাপানের মন্ত্রিপরিষদ অফিস থেকে প্রকাশিত হালনাগাদ মূল্যায়নে বলা হয়েছে, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে ২৭০ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ১.৮১ ট্রিলিয়ন ডলার) ক্ষতি হতে পারে। যা পূর্ববর্তী অনুমানগুলোর তুলনায় অনেক বেশি এবং দেশটির জন্য এক ভয়াবহ সংকেত।

জাপানের ভূমিকম্প তদন্ত প্যানেলের মতে, আগামী ৩০ বছরের মধ্যে একটি মেগা ভূমিকম্পের সম্ভাবনা ৮০ শতাংশেরও বেশি। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, ৮ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প ‘মেগা কোয়াক’ হিসেবে পরিচিত, যা সাধারণ ভূমিকম্পের তুলনায় অনেক বেশি বিধ্বংসী হতে পারে। বিশেষ করে এটি যদি ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বা ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে ঘটে, তাহলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হবে।

জাপান সরকারের প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়েছে, যদি ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, তাহলে বিশাল সুনামি সৃষ্টি হতে পারে এবং শত শত ভবন ধসে পড়তে পারে।
এতে প্রায় ২ লাখ ৯৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারাতে পারেন এবং ১২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারেন, যা জাপানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত নানকাই খাদ প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ বছর অন্তর বড় ধরনের ভূমিকম্প সৃষ্টি করে। সর্বশেষ বড় ভূমিকম্পগুলো ১৯৪০-এর দশকে ঘটেছিল। ভূকম্পবিদদের মতে, এরপর থেকে এই অঞ্চলে ভূমিকম্পজনিত চাপ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এর আগে, ২০১১ সালে উত্তর-পূর্ব জাপানে ৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে ভয়াবহ সুনামি হয় এবং ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান। সেই সঙ্গে ফুকুশিমা দাইচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চেরনোবিলের পর বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয় দেখা দেয়।

গত বছর জাপান প্রথমবারের মতো নানকাই অঞ্চলে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর একটি মেগা ভূমিকম্পের ‘উচ্চ সম্ভাবনা’ সম্পর্কে সতর্কতা জারি করেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোনো সময় এই ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে, যা পুরো দেশকে অস্থিরতার মধ্যে ফেলতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ