1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রমিকের মর্যাদা উপেক্ষা করে কোনো সমাজ টেকসই হতে পারে না : জামায়াত আমির গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে জনগণই রাজপথে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে : আজহারুল ইসলাম লেখাপড়া আনন্দময় করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী আগামীকাল সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ইরান ইস্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার প্রশ্নের জবাব দিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে কিছু মহল : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধের ব্যয় নিয়ে পেন্টাগনের মিথ্যাচারের জবাব দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে বন্ধুহীন করতে অতীতের মতো ষড়যন্ত্র চলছে : প্রধানমন্ত্রী প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন ১১ সরকারি কর্মকর্তা ফ্লোরিডায় নিহত বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৭ নভেম্বর, ২০১২
  • ১২১ Time View

৭ নভেম্বর, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার দিন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর দেশে অস্থিতিশীল অবস্থার পর অভ্যুত্থান পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে চলা ঘটনা প্রবাহের এক পর্যায়ে গৃহবন্দি হন তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। বন্দিদশা থেকে ৭ নভেম্বর মুক্ত হন তিনি।

এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে শাসন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন জিয়া। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হয়ে তিনি পরে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বিএনপি)।

বিএনপিসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে দিনটি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল ও কর্নেল তাহের সংসদ ‘সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ এবং আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও বঙ্গবন্ধু একাডেমীসহ কয়েকটি সংগঠন এ দিনকে ‘সৈনিক হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার মধ্যদিয়ে ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটে। একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা ওই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন। কলঙ্কজনক এ ঘটনার আড়াই মাস পর ৩ নভেম্বর সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটে। ৩-৬ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করে। ৪ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। এসব ঘটনার একপর্যায়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দি হন। ৬ নভেম্বর মধ্যরাতে ঘটে সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব এবং ঘটনার পালাবদলে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা একসঙ্গে রাস্তায় নেমে আসে। মুক্ত হন জিয়া।

বুধবার দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন মানববন্ধন, শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

এ উপলক্ষে তিন দিনের কর্মসূচি রয়েছে বিএনপির। এর আগে গত মঙ্গলবার নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জনসমাবেশ করা হয়। বুধবার সকাল ৬টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং সকাল ১০টায় দলের চেয়ারপার্সন  খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলের নেতারা শহীদ জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা জানাবেন। ৮ নভেম্বর ঢাকায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করবে ছাত্রদল।

এছাড়া দলের অন্য অঙ্গসংগঠন এ দিনকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

অপরদিকে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক অফিসার হত্যা দিবস’ উপলক্ষে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে আলোচনা সভা এবং বঙ্গবন্ধু একাডেমী ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ উপলক্ষে জাতীয় ক্রীড়া শিক্ষা পরিষদ মিলনায়তনে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস, মহাজোট সরকারের উন্নয়নে বিএনপি-জামায়াতের বাধা ও খালেদা জিয়ার দেশে বিদেশে ষড়যন্ত্র’ শীর্ষক আলোচনার আয়োজন করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ