1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মানবজাতির সংযম ও সৌহার্দ্য অর্জনে নিজেদের নিবেদিত রাখার আহ্বান তারেক রহমানের জাতীয় স্বার্থের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা হবে: ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে প্রশাসন তার পূর্বের রূপ দেখাচ্ছে : আসিফ মাহমুদ র‌্যাবের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম এসআইএফ ইরানে অস্থিরতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র: খামেনি ১২ তারিখ ভোট বানচালের চেষ্টা করবে একটি শক্তি: নাহিদ ইসলাম চোরাগোপ্তা পথে কেউ ক্ষমতায় যেতে পারবে না: জামায়াত আমির নাহিদের রিট খারিজ, বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই জিয়া নন, স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক ড. অলি আহমদ: চট্টগ্রাম সমাবেশে ডা. শফিকুর অর্থ আত্মসাৎ: মা-স্ত্রীসহ গায়ক নোবেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

সংসদের মেয়াদ চার বছর, দুইবারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী নয়

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৩০ Time View

একজন ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। সরকারের মেয়াদ চার বছর করার প্রস্তাব করেছে সংবিধান সংস্কার কমিশন।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে সংবিধান সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশ করে সরকার। চূড়ান্ত সুপারিশে এমন প্রস্তাব করা হয়েছে।

১৪৪ পৃষ্ঠার এ প্রতিবেদনের সুপারিশে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তি জীবদ্দশায় সর্বোচ্চ দুইবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ হবে চার বছর করে। এ সময় তিনি রাজনৈতিক দলের প্রধান বা সংসদ নেতা হতে পারবেন না।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ প্রস্তুত করতে গিয়ে প্রায় এক লাখ মানুষের মতামত নেওয়ার কথা বলেছেন কমিশনের প্রধান ড. আলী রীয়াজ।
কমিশনের সদস্যদের পাশাপাশি ৩২ জন গবেষক এতে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসীনদের অগণতান্ত্রিক প্রবণতা ও ফ্যাসিবাদী দৃষ্টিভঙ্গির জন্য ১৯৭২ সালে রচিত দেশের প্রথম সংবিধানের ‘দুর্বলতাকে’ দায়ী করেছে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত সংবিধান সংস্কার কমিশন। এই কমিশনের ভাষ্য, ফ্যাসিবাদের বীজ ৭২ সালের সংবিধানের মাঝেই নিহিত ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পরবর্তীকালের অগণতান্ত্রিক প্রবণতা ও শেষ পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের বীজ ৭২ সালের সংবিধানের মাঝেই নিহিত ছিল।
এরই ফলাফল হলো প্রতিটি আমলেই ক্ষমতার পুঞ্জীভবন আরো ঘনীভূত হয়েছে, আমলাতান্ত্রিকতা আরো প্রকট রূপ পেয়েছে, বিচার বিভাগ ক্রমে বেশি বেশি হারে দলীয়করণের শিকার হয়েছে, জবাবদিহির অভাবে ক্ষমতাসীনদের আর্থিক দুর্নীতি আরো প্রবল চেহারা নিয়েছে। একইভাবে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা দল, রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশকে রুদ্ধ করেছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ধ্বংস করেছে। এভাবে ১৯৭২ সালে একজন একক ব্যক্তি ও একটি দলকে কেন্দ্রে রেখে যে সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত উত্তরোত্তর স্বৈরতন্ত্রী চেহারা ধারণ করতে করতে অবশেষে বাংলাদেশজুড়ে একটি ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ