1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিচারিক অভিজ্ঞতা ছাড়াই বিচারক পদে পদোন্নতি কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ চালু অনলাইন জুয়ায় হেরে নিজস্ব ব্যাংকের টাকা ছিনতাইয়ের নাটক, গ্রেফতার ৬ সৌদিতে হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের স্থপতিদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও কর্মসংস্থানের পথ সুগম করতে চায় সরকার মানবপাচার নির্মূলের ন্যূনতম মানদণ্ড অর্জনে বাংলাদেশের ঘাটতি রয়েছে: মার্কিন প্রতিবেদন ইউল্যাবে চাকরিমুখী ইংরেজি শিক্ষা নিয়ে সম্মেলন মালদ্বীপে পৌঁছেই প্রবাসীর মৃত্যু, পরদিন মারা গেলেন আরেকজন দুর্গাপূজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত পুরান ঢাকা, বেড়েছে সাজসজ্জার খরচ নওগাঁয় ৮৩৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, চলছে প্রতিমা তৈরি ও সাজসজ্জা

বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলনকালে ৬ শতাধিক প্রাণ হারিয়েছে : জাতিসংঘ প্রতিবেদন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৫৬ Time View

ঢাকা, ১৬ আগস্ট, ২০২৪ (বাসস): জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার অফিসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
আজ প্রকাশিত ‘বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ এবং অস্থিরতার প্রাথমিক বিশ্লেষণ শিরোনামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও আন্দোলনকারীদের দেয়া প্রতিবেদন অনুসারে, ১৬ জুলাই থেকে ১১ আগস্টের মধ্যে ৬০০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে।
এর মধ্যে ১৬ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া, ৫ থেকে ৬ আগস্টের মধ্যে বিক্ষোভের সময় প্রায় ২৫০ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে যে, সেই সময় থেকে প্রতিশোধমূলক হামলায় নিহতদের সংখ্যা এখনও নির্ধারণ করা যায়নি। ৭ থেকে ১১ আগস্টের মধ্যে বেশ কিছু প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে যারা সহিংসতায় আহত হয়ে চিকিৎসা চলাকালীন মারা গেছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছে বিক্ষোভকারী, পথচারী, ঘটনা কভার করা সাংবাদিক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কিছু সদস্য। হাজার হাজার বিক্ষোভকারী এবং পথচারী আহত হয়েছে। এ সময় হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা নিতে আসা আহতদের ভিড় পরিলক্ষিত হয়েছে।
নিহতদের প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত জানা যায়নি। কারণ কারফিউ, ইন্টারনেট বন্ধ থাকা, চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে তথ্য সংগ্রহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও, হাসপাতালগুলিকে হতাহতদের বিশদ বিবরণ দিতে বাধা দেয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, বেশিরভাগ প্রাণহানি ও আহত হওয়ার জন্য দায়ী করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছাত্র সংগঠনকে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে তাজা গুলি এবং অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহারের ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে যদিও বিক্ষোভকারীরা সশস্ত্র ছিল না বা শুধুমাত্র হালকা সশস্ত্র ছিল। নিরাপত্তা বাহিনী বেআইনিভাবে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করেছে যখন নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীরা কোন হুমকি প্রদর্শন করেনি। এতে অন্তত চারজন সাংবাদিক এবং কমপক্ষে ৩২ জন শিশু সহ অনেক আহত হয়েছে। এছাড়া অনেককে আটক করা হয়েছে যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১২ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত শুধুমাত্র ঢাকাতেই কমপক্ষে ৪৫০,০০০ অজ্ঞাত ব্যক্তি এবং ২০০০ চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অন্তত ২৮৬টি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই বিরোধী দলের সদস্য।
বাংলাদেশে, “প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে প্রায়শই শত শত ব্যক্তিকে বেনামী” হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা ব্যাপকভাবে নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও আটকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।
সিভিল সার্ভিসের পদে চাকুরি লাভের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি পুনর্বহালের লক্ষ্যে সূচিত আন্দোলন প্রাথমিকভাবে শান্তিপূর্ণ ছিল যা ২০২৪ সালের জুনের মাঝামাঝি শুরু হয়েছিল। তারপরে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা সহিংসতা ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশে দ্রুত নাটকীয় ধারাবাহিক ঘটনার মধ্যে ব্যাপক বিক্ষোভ ও অস্থিরতার পরে সরকার গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে এবং নতুন নির্বাচনের পথে উত্তরণের লক্ষ্যে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ