1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

বিপুলসংখ্যক ইসরাইলিকে বন্দী করেছে ফিলিস্তিনিরা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৩৮ Time View

হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর উপ-প্রধান সালেহ আল-অ্যারোই বলেছেন, হামাসের হাতে এখন বিপুলসংখ্যক ইসরাইলি বন্দী রয়েছে। বন্দীদের মধ্যে সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তাও রয়েছে। তিনি বলেন, ইসরাইলি কারাগারে আটক সকল ফিলিস্তিনিকে মুক্ত করতে এই বন্দীরাই যথেষ্ট।
তিনি আল জাজিরাকে বলেন, ‘আমরা অনেক ইসরাইলি সৈন্যকে হত্যা ও বন্দী করতে পেরেছি।’
তবে তিনি সংখ্যাটি উল্লেখ করেননি।
রয়টার্স জানিয়েছে, ইসরাইলি টিভি চ্যানেল রেশেত থার্টিন প্রতিবেদন করেছে যে ফিলিস্তিনিরা দক্ষিণের শহর ওফাকিমে ইসরায়েলিদের বন্দী করে রেখেছ।
সামাজিক মাধ্যমে এ খবর আগেই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অসমর্থিত কিছু ভিডিওতে দেখা যায় ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের বেসামরিক নাগরিকদের ধরে মোটর বাইকে করে গাজার দিকে বন্দী অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে।
তবে হামাসের এক মুখপাত্র আল জাজিরাকে জানান, ‘তারা হোস্টেজ নয় বরং যুদ্ধবন্দী।’
ইসরাইলি ডিফেন্স ফোর্স নিশ্চিত করেছে যে ‘সৈন্য এবং বেসামরিক’ নাগরিকদের ধরে নিয়ে গেছে উগ্রবাদীরা। তবে কতজন সে ব্যাপারে কিছু বলেনি তারা।
বিবিসি নিরাপত্তাবিষয়ক প্রতিবেদক ফ্রাঙ্ক গার্ডনার মনে করেন, ইসরাইলের সামনে এখন দুটি উপায় খোলা রয়েছে : একটা বিশেষ উদ্ধার আভিযানে নামা অথবা অপেক্ষা করা এবং সমঝোতায় আসা। কিন্তু দুই দিকেই ঝুঁকি রয়েছে।

এরইমধ্যে হামাসের সামরিক অংশ, দ্য কাসিম ব্রিগেড একটা ভিডিও প্রকাশ করেছে যাতে দেখা যাচ্ছে, অন্তত তিনজন ইসরাইলিকে বেসামরিক পোশাকে বন্দী অবস্থায় রেখেছে তারা এবং দাবি করা হয়েছে এই তিনজন ইসরাইলি সৈন্য।
অন্যদিকে গাজায় সক্রিয় ইসলামিক জিহাদ গ্রুপও দাবি করেছে তারা ‘অসংখ্য’ ইসরাইলি সৈন্যদের বন্দী করেছে।
একটি আরবি মিডিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, ফিলিস্তিনিরা ৫২ জন ইসরাইলিকে বন্দী করেছে। এসব বন্দীর কয়েকজন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এরইমধ্যে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থার কূটনীতি প্রধান জোসেপ বোরেল এটাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে বন্দীদের মুক্তি দাবি করেছেন।
নিরাপত্তা বিষয়ক বিবিসি সংবাদদাতা ফ্রাঙ্ক গার্ডনার বলেছেন, এটা ইসরায়েলি গোয়েন্দা ব্যর্থতা। এরইমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু করেছে ইসরাইলি সরকার, যে কিভাবে হামাসের এত বড় পরিকল্পিত হামলা তাদের নজর এড়িয়ে গেল।

ইসরাইলের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় এবং দক্ষ। তারা দেশের ভেতরে এবং বাইরে কাজ করে।

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গ্রুপগুলোর ভেতরেই ইসরাইলি গোয়েন্দারা রয়েছে। এছাড়া সশস্ত্র গ্রুপগুলোর সাথে মিশে আছে। এছাড়া লেবানন, সিরিয়া এবং অন্যান্য জায়গায়ও ইসরাইলি গোয়েন্দারা সক্রিয়।
অতীতে বিভিন্ন সময় সুনির্দিষ্ট ড্রোন হামালা এবং মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং-এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতাদের হত্যা করেছিল ইসরাইল। এটা সম্ভব হয়েছিল গোয়েন্দা তথ্যের কারণে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ