1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
র‍্যাবকে রাজনৈতিকভাবে এক ঘণ্টার জন্যও ব্যবহার করিনি, কেউ প্রমাণ দেখাতে পারবে না: বাবর নতুন বছরে জ্বালানি তেলের দাম কমলো লিটারে ২ টাকা হাদি হত্যাকাণ্ডে ফয়সালের নির্দোষ দাবির ভিডিও, ডিবি বলছে—প্রমাণই শেষ কথা চীন ও তাইওয়ানের এক হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না: শি জিনপিং গাইবান্ধায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার মুস্তাফিজ ইস্যুতে শাহরুখকে ‘গাদ্দার’ বললেন বিজেপি নেতা দেশের রিজার্ভে ঊর্ধ্বগতি, ছাড়াল ৩৩ বিলিয়ন ডলার দেশে দেশে নতুন বর্ষ বরণ খালেদা জিয়ার হত্যার দায় থেকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা কখনোই মুক্তি পাবেন না এক ঐতিহাসিক বিদায়, যা দেশের মানুষের জন্য যথাযথ শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে: তারেক রহমান

করোনাভাইরাসের চেয়েও মারাত্মক রোগ আসছে!

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৪ মে, ২০২৩
  • ৪৩ Time View

বিশ্বকে এমন একটি ভাইরাসের জন্য প্রস্তুত করতে হবে যা করোনার চেয়েও মারাত্মক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ডা. তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস এ তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, করোনার চেয়েও মারাত্মক রোগ আসছে।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে কোভিড-১৯ বা করোনা নিয়ে আর তেমন কোনো শঙ্কা নেই। এ মহামারির ক্ষেত্রে তারা যে জরুরি সতর্কতা জারি করেছিল তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যদিও এ ভয়াবহ রোগটিতে মাত্র কয়েক বছরে দুই কোটি মানুষ মারা গেছেন, তবুও এখন এ মহামারিকে নিয়ে তেমন কোনো শঙ্কা নেই।

 

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ডা. তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস জানিয়েছেন, আসন্ন মহামারিগুলো করোনার চেয়েও ‘মারাত্মক’ হতে পারে। করোনা মহামারি সংক্রান্ত বৈশ্বিক স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থার অবসান হলেও এর হুমকি শেষ হয়নি। এর নতুন ভ্যারিয়েন্টের হুমকি রয়ে গেছে, যা রোগ এবং মৃত্যুর নতুন উত্থান ঘটাতে পারে।

 

৭৬তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সমাবেশে প্রতিবেদন পেশ করার সময় ডব্লিউএইচও-এর প্রধান এসব কথা বলেন।

 

তিনি পরামর্শ দেন যে পরবর্তী সময়ে কোনো মহামারি আঘাত হানলে আমাদের অবশ্যই কোনো সার্বিক সিদ্ধান্তমূলক কার্যক্রম হাতে নিতে হবে। এরপর সম্মিলিত ও ন্যায়সঙ্গত উপায়ে সেটিকে প্রতিরোধ করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

 

তেদ্রোস বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) অধীনে স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে করোনার উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। এই প্রভাব ২০৩০ সাল পর্যন্ত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ