1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান পুতিনের শিশুদের মৃত্যু নিয়ে দুঃখ প্রকাশ, সীমাবদ্ধতার কথা জানালেন স্বাস্থ্য সেবার সচিব নতুন প্রজন্মকে ২৫ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিলের বীরত্বগাথা জানানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর অনিয়ম-দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী স্কুল চলাকালে যানজট নিরসনের উপায় বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি সহ্য করা হবে না: নৌপরিবহন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডিজি হলেন নুরজাহান খানম সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর সাথে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের বৈঠক তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর সঙ্গে ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সোনার দাম আরও বাড়লো, ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

ঋণ সংকট : এশিয়া সফর বাতিল করেছেন বাইডেন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩
  • ৪০ Time View

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এশিয়ায় আসন্ন সফর স্থগিত করেছেন এবং সম্ভাব্য ঋণ সংকট এড়াতে আলোচনার জন্য দ্রুত ওয়াশিংটনে ফিরে আসবেন। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস এ কথা জানিয়েছে।
বাইডেন বুধবার জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য জাপানে গেছেন, তবে মার্কিন ঋণের সীমা বাড়ানোর জন্য দেশীয় সংকট মোকাবেলায় পাপুয়া নিউ গিনি এবং অস্ট্রেলিয়ায় পরবর্তী সফর বাতিল করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘সংকট এড়াতে সময়সীমার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন শেষ হওয়ার পরে কংগ্রেস নেতাদের সয়েমড় বৈঠকের জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেন রোববার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসবেন।’
এতে বলা হয়, ‘প্রেসিডেন্ট এবং তার দল একটি বাজেট চুক্তি প্রদানের জন্য কংগ্রেসীয় নেতৃত্বের সাথে কাজ চালিয়ে যাবে যাতে এটি প্রেসিডেন্টের ডেস্কে পৌঁছাতে পারে।’
এ-৭ শীর্ষ সম্মেলনের পরে বাইডেন সিডনিতে কোয়াড নেতাদের এক বৈঠকে যোগ দেয়ার কথা ছিল, যা যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং ভারতকে একত্রিত করবে।
তবে হোয়াইট হাউস বলেছে, বাইডেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবেনিজকে ফোন করে এই সফর বাতিল করার কথা জানিয়েছেন এবং তাকে একটি অনির্ধারিত তারিখে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম ‘ঐতিহাসিক’ সফরে পাপুয়া নিউ গিনি যাওয়ার কথা ছিল। কারণ ওয়াশিংটন এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য বেইজিংয়ের সঙ্গে লড়াই করছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরকে একটি কূটনৈতিক ব্যাকওয়াটার হিসাবে দেখা হয়েছিল, তবে এটি বাণিজ্যিক, রাজনৈতিক এবং সামরিক প্রভাবের জন্য প্রতিদ্ব›িদ্ধতা করার জন্য শক্তিগুলির জন্য এই অঞ্চল ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ