1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ওয়াশিংটন-দিল্লির কথায় বাংলাদেশ চলবে না: চরমোনাই পীর আমরা সবাই জানি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান: মাসুদ সাঈদী তারেক রহমানই আগামীর প্রধানমন্ত্রী: হুম্মাম কাদের বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জন: শাহবাজ শরিফ নারী কর্মীদের ওপর ‘জামায়াতের হামলার’ প্রতিবাদে ইসলামী যুব আন্দোলনের বিক্ষোভ যেকোনও মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে: জামায়াত আমির সুষ্ঠু ভোট হলে তারেক রহমান হবেন প্রধানমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হলো পবিত্র শবে বরাত ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো ইসি স্বর্ণের দামে আবারও বড় লাফ, আজ থেকে কার্যকর

উৎসবের রাত জয়েই রাঙাল আর্জেন্টিনা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০২৩
  • ৩৮ Time View

প্রীতি ম্যাচের আদলে আসলে মাঠে উদযাপনে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। পানামার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ের ফল ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু শুধু ওই বাঁধভাঙা উদযাপন। যেখানে সামিল ছিলেন দর্শক-সমর্থক থেকে শুরু করে, আর্জেন্টিনার ফুটবলার, কোচিং স্টাফ, অ্যাসোসিয়েশনের কর্তা থেকে শুরু করে তাদের পরিবারের সদস্যরা।
ডিসেম্বরে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ঘরে তোলার পর প্রথম ম্যাচ, ঘরের মাঠ এস্তাদিও মনুমেন্টালে আশেপাশে জড়ো তাই লাখো মানুষ।
সেখান থেকে মাঠে ঢুকতে পারলেন কেবল ৮৪ হাজার দর্শকই। ম্যাচ শুরুর প্রায় ৫ ঘণ্টা আগে খুলে দেওয়া হয় স্টেডিয়ামের প্রবেশদ্বার। সঙ্গে সঙ্গে কানায় কানায় পূর্ণ মনুমেন্টালের গ্যালারি। সবকিছুই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের দেখতে, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বরণ করে নিতে।
ম্যাচের আগে কয়েক পর্ব উৎসব ছিল মনুমেন্টালে। ডিজে ফের প্যালাসিও সুরে সুরে মাতিয়ে রাখেন দর্শককে। দেখানো হয় কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলের পারফরম্যান্সের ভিডিওচিত্র। পপ ব্যান্ড লস তোতোরা ও লা তাই লা এম ব্যান্ডও যোগ দেয় প্যালাসিওর সঙ্গে। ছিলেন মুচাচোস গানের গীতিকার ফার্নান্দো রোমেরো। এমন মাহেন্দ্রক্ষণে উপস্থিত ছিলেন বৃদ্ধ তুলা, যিনি ফিফা ‘বেস্ট’ অনুষ্ঠানে সেরা সমর্থকের পুরস্কারজয়ী আর্জেন্টিনা সমর্থকদের প্রতিনিধি হিসেবে পুরস্কার নিয়েছিলেন
দর্শকরা মূলত খেলা দেখতে নয়, এসেছিলেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের একনজর দেখতে। তাদের উদযাপনের সঙ্গী হতে। ইতিহাসের সাক্ষী হতে। মেসিরা টানেল দিয়ে মাঠে ঢুকতেই তাই কোলাহলে ফেটে পড়ে গ্যালারি উপস্থিত হাজারো আলবিসেলেস্তে। অনেক ফুটবলারই সন্তানদের নিয়ে এসেছিলেন মাঠে। ডাগ আউটে কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গেও ছিল পরিবারের সদস্য।
আর্জেন্টিনার ট্যাঙ্গো গায়ক আরিয়ে আর্দিত জাতীয় সঙ্গীতের সুর তুলতেই গলা মেলাতে শুরু করে গোটা স্টেডিয়াম। জ্বলে ওঠে আতশবাজির রোশনাই। সাদা ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছিল পুরো মাঠ। এর মধ্যে দেখা মিললো, অনেকেই চোখ মুছছেন। সেখান থেকে বাদ গেলেন না মেসিরাও। ক্যামেরা ধরতেই বোঝা গেল, মেসি কাঁদছেন। পাশে এমিলিয়ানো মার্টিনেজেরও ভেজা চোখ। ডাগ আউটে স্কালোনিও চোখ মুছছেন।
এই অশ্রু অবশ্য কোনো হৃদয়ভঙ্গের নয়। ৩৬ বছর পর আর্জেন্টিনাকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বানানোর আনন্দশ্রু! পানামা তাতে স্রেফ উপলক্ষ্য।
আবেগে ভেসে যাওয়ার সন্ধ্যায় আর্জেন্টিনা পানামা নিয়ে যে খুব একটা ভাবেনি তার বড় প্রমাণ হলো, ৭৭ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে কোনো গোল না হওয়া। স্বাগতিকদের হয়ে ডেডলক ভাঙেন থিয়াগো আলমাদা। ৭৮ মিনিটে লিওনেল মেসির বাঁকানো ফ্রি কিক পানামার পোস্টে লেগে ফিরলে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ভলি করতে ব্যর্থ হন। পাশেই দাঁড়ানো থিয়াগো আলমাদা বাঁ পায়ের শটে গোল করেন।
এর আগে প্রথমার্ধের ১৮ মিনিটেও মেসির ফ্রি কিক পোস্টে লেগে ফিরে আসে। তবে দুইবার পোস্ট মেসিকে ফেরালেও, মেসি ঠিকই খুঁজে নেন জালের ঠিকানা। সেটা ওই ফ্রি কিক থেকেই। ৮৯ মিনিটে দর্শনীয় এক গোলের উৎসবের রাতটা আরও স্মরণীয় করে রাখেন মেসি। কেননা ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে যে এটা তার ৮০০তম গোল। বিশ্বের তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে এ কীর্তির মালিক এখন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
পানামার বিপক্ষে স্কালোনি খেলান কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালের একাদশই। সমর্থকদের যেন সেই ম্যাচের নির্যাস পাইয়ে দিতে চেয়েছিলেন। ফাইনালের মতো সেই ধ্রুপদী লড়াই অবশ্য হয়নি মনুমেন্টালে। তাতে অবশ্য থোরাই কেয়ার আর্জেন্টাইন ভক্তদের!

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ